দের গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ এক ভাই, দুই ভাবী ও বোনসহ তার চাচাদের মধ্যে শোকের মাতম বইছে। সরেজমিন মাসুদের বাড়িতে গেলে তার ভাবী জহুরা আক্তার সুমি জানান, ‘মাসুদ ২০০৭ সালে কোম্পানি ভিসায় সৌদি আরবের রিয়াদে যান। গত সাত বছর থেকে তিনি সৌদি আরবে কর্মরত। তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে এয়ারকন্ডিশনের কাজ করতেন। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির এক লোকের অধীনে তিনি কাজ করতেন। গত বৃহস্পতিবার সকালে অন্য সাতজনসহ একটি প্রাইভেট গাড়িতে তারা রিয়াদ থেকে কাজের উদ্দেশে ধুমরায় রওনা হন। তারা সবাই আনন্দ-ফুর্তির মধ্যে দিয়ে কাজে যাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে গাড়িটি রিয়াদের ধুমরা নামক স্থানে পৌঁছলে ড্রাইভার গাড়ির পেছনে তাদের দিকে তাকাতেই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় মাসুদসহ অন্য তিন বাংলাদেশী নিহত হন এবং আহত হন আরো দুইজন। দুর্ঘটনায় মাসুদের দেহ থেকে মাথা আলাদা হয়ে যায়। মাসুদের সাথে তার অপর দুইভাই হুমায়ুন কবির ও ইয়াছিন মিয়াজী সোহাগ সৌদি আরবের জেদ্দায় থাকেন। মাসুদ মা-বাবা হারা চার ভাই তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। জহুরা আক্তার জানান, ছোট থেকে তাকে ছেলের মতো আদর করে বড় করে তুলেছি। গত বুধবার দুপুরে মোবাইল ফোনে মাসুদের সাথে শেষ কথা হয়। তিনি তার ভাতিজা রাশেদকে ফোন করে তার জন্য কী আনবে জানতে চান। এ ছাড়া তিনি তার বোনের মাধ্যমে ভাতিজাদের জন্য ঈদের জামা-কাপড় ক্রয়ের জন্যও টাকা পাঠান। ওই দিন আমিসহ তার বোনদের সাথে তার প্রায় দুই ঘণ্টা কথা হয়। মাসুদের আগামী এক মাসের মধ্যে বাড়ি আসার কথা ছিল। তার জন্য বাড়ির সম্পত্তি আলাদা করে রাখা হয়েছে। বাড়িতে এসে ঘর তৈরি এবং বিয়ে করার কথা ছিল। ইতোমধ্যে বাড়ি আসার জন্য মালপত্র ক্রয় করে বাসায় রেখেছিলেন। কিন্তু দুর্ঘটনায় তার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। জহুরা আক্তার সুমি মাসুদের লাশ দ্রুত দেশে আনাসহ দুর্ঘটনায় তিপূরণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে নিকট দাবি জানান।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Saturday, July 26, 2014
সৌদি আরবে নিহত মাসুদের স্বপ্ন পূরণ হলো না:নয়াদিগন্ত
দের গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ এক ভাই, দুই ভাবী ও বোনসহ তার চাচাদের মধ্যে শোকের মাতম বইছে। সরেজমিন মাসুদের বাড়িতে গেলে তার ভাবী জহুরা আক্তার সুমি জানান, ‘মাসুদ ২০০৭ সালে কোম্পানি ভিসায় সৌদি আরবের রিয়াদে যান। গত সাত বছর থেকে তিনি সৌদি আরবে কর্মরত। তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে এয়ারকন্ডিশনের কাজ করতেন। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির এক লোকের অধীনে তিনি কাজ করতেন। গত বৃহস্পতিবার সকালে অন্য সাতজনসহ একটি প্রাইভেট গাড়িতে তারা রিয়াদ থেকে কাজের উদ্দেশে ধুমরায় রওনা হন। তারা সবাই আনন্দ-ফুর্তির মধ্যে দিয়ে কাজে যাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে গাড়িটি রিয়াদের ধুমরা নামক স্থানে পৌঁছলে ড্রাইভার গাড়ির পেছনে তাদের দিকে তাকাতেই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় মাসুদসহ অন্য তিন বাংলাদেশী নিহত হন এবং আহত হন আরো দুইজন। দুর্ঘটনায় মাসুদের দেহ থেকে মাথা আলাদা হয়ে যায়। মাসুদের সাথে তার অপর দুইভাই হুমায়ুন কবির ও ইয়াছিন মিয়াজী সোহাগ সৌদি আরবের জেদ্দায় থাকেন। মাসুদ মা-বাবা হারা চার ভাই তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। জহুরা আক্তার জানান, ছোট থেকে তাকে ছেলের মতো আদর করে বড় করে তুলেছি। গত বুধবার দুপুরে মোবাইল ফোনে মাসুদের সাথে শেষ কথা হয়। তিনি তার ভাতিজা রাশেদকে ফোন করে তার জন্য কী আনবে জানতে চান। এ ছাড়া তিনি তার বোনের মাধ্যমে ভাতিজাদের জন্য ঈদের জামা-কাপড় ক্রয়ের জন্যও টাকা পাঠান। ওই দিন আমিসহ তার বোনদের সাথে তার প্রায় দুই ঘণ্টা কথা হয়। মাসুদের আগামী এক মাসের মধ্যে বাড়ি আসার কথা ছিল। তার জন্য বাড়ির সম্পত্তি আলাদা করে রাখা হয়েছে। বাড়িতে এসে ঘর তৈরি এবং বিয়ে করার কথা ছিল। ইতোমধ্যে বাড়ি আসার জন্য মালপত্র ক্রয় করে বাসায় রেখেছিলেন। কিন্তু দুর্ঘটনায় তার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। জহুরা আক্তার সুমি মাসুদের লাশ দ্রুত দেশে আনাসহ দুর্ঘটনায় তিপূরণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে নিকট দাবি জানান।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment