অভিযোগে পুলিশের তিন কর্মকর্তাকে তিরস্কার করে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত অ্যাসিড অপরাধ দমন আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রায় ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রের অনুকূলে নিয়ে তা নিলামে বিক্রি করে সেই টাকা ঘটনার শিকার রওশন আরা সুমিকে দিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। দণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন বাগেরহাটের ফকিরহাটের জাড়িয়া মাইটকুমড়া গ্রামের মোল্লা মাসুদ রানা (৩১), মোস্তফা উচস্থা (৩৪) ও টাউন নওয়াপাড়া গ্রামের হান্নান শেখ (৩৪)। তিনজনই পলাতক। মামলার তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে আদালত বাগেরহাটের তৎকালীন পুলিশ সুপার খন্দকার রফিকুল ইসলাম, দুই তদন্ত কর্মকর্তা ফকিরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার মিত্র ও উপপরিদর্শক এস এম আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার নথি ও আদালতের সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, টাউন নওয়াপাড়া গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী রওশন আরা সুমিকে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করছিলেন। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর রাতে আসামিরা গৃহবধূকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে গৃহবধূ চিৎকার করলে আসামিরা তাঁর শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। এ ঘটনায় ১১ নভেম্বর রওশন চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Monday, August 25, 2014
তিনজনকে ১৪ বছর করে কারাদণ্ড, পুলিশকে তিরস্কার:প্রথম অালো
অভিযোগে পুলিশের তিন কর্মকর্তাকে তিরস্কার করে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত অ্যাসিড অপরাধ দমন আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রায় ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রের অনুকূলে নিয়ে তা নিলামে বিক্রি করে সেই টাকা ঘটনার শিকার রওশন আরা সুমিকে দিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। দণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন বাগেরহাটের ফকিরহাটের জাড়িয়া মাইটকুমড়া গ্রামের মোল্লা মাসুদ রানা (৩১), মোস্তফা উচস্থা (৩৪) ও টাউন নওয়াপাড়া গ্রামের হান্নান শেখ (৩৪)। তিনজনই পলাতক। মামলার তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে আদালত বাগেরহাটের তৎকালীন পুলিশ সুপার খন্দকার রফিকুল ইসলাম, দুই তদন্ত কর্মকর্তা ফকিরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার মিত্র ও উপপরিদর্শক এস এম আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার নথি ও আদালতের সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, টাউন নওয়াপাড়া গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী রওশন আরা সুমিকে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করছিলেন। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর রাতে আসামিরা গৃহবধূকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে গৃহবধূ চিৎকার করলে আসামিরা তাঁর শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। এ ঘটনায় ১১ নভেম্বর রওশন চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment