আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। এ সূত্রে জানা গেছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও চলতি আগস্ট মাসের ২৬ তারিখে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে। জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের এক পক্ষ তাদের ফোরামের নাম রেখেছে ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। এ গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি প্রফেসর ড. রেজাউল করিম। অপরপক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রফেসর ড. হারুণ অর রশিদ। যদিও এ গ্রুপের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মতিন ও সেক্রেটারি শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ আর এম মোস্তাফিজার রহমান। তাদের গ্রুপের নাম জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। আওয়ামীপন্থী শিক্ষকেরাও দুই গ্রুপে বিভক্ত। নির্বাচনকে সামনে নিয়ে জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ প্যানেল দেয়ার জন্য সিনিয়র শিক্ষকদের কেউ কেউ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন; কিন্তু দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে কোনো ফল হচ্ছে না। শিক্ষকদের মধ্যে যারা কোনো ফোরামেই সক্রিয় নন, তারা জাতীয়তাবাদীদের ঐক্যবদ্ধ প্যানেল দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন; কিন্তু কোনো কিছুতে কাজ হচ্ছে না। শিক্ষকদের অনেকেই বলেছেন, এ রকম বিভেদ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের ফলাফল ভালো হবে না।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Tuesday, August 12, 2014
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচন চলতি মাসে:নয়াদিগন্ত
আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। এ সূত্রে জানা গেছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও চলতি আগস্ট মাসের ২৬ তারিখে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে। জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের এক পক্ষ তাদের ফোরামের নাম রেখেছে ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। এ গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি প্রফেসর ড. রেজাউল করিম। অপরপক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রফেসর ড. হারুণ অর রশিদ। যদিও এ গ্রুপের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মতিন ও সেক্রেটারি শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ আর এম মোস্তাফিজার রহমান। তাদের গ্রুপের নাম জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। আওয়ামীপন্থী শিক্ষকেরাও দুই গ্রুপে বিভক্ত। নির্বাচনকে সামনে নিয়ে জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ প্যানেল দেয়ার জন্য সিনিয়র শিক্ষকদের কেউ কেউ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন; কিন্তু দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে কোনো ফল হচ্ছে না। শিক্ষকদের মধ্যে যারা কোনো ফোরামেই সক্রিয় নন, তারা জাতীয়তাবাদীদের ঐক্যবদ্ধ প্যানেল দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন; কিন্তু কোনো কিছুতে কাজ হচ্ছে না। শিক্ষকদের অনেকেই বলেছেন, এ রকম বিভেদ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের ফলাফল ভালো হবে না।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment