চেক ও সঞ্চয়পত্র দেন। এরপর তাজরীনের অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১২ জনের প্রত্যেক পরিবারের হাতে ৭ লাখ টাকা করে চেক ও সঞ্চয়পত্র তুলে দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের জোগান দেয়া ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে তাজরীন ফ্যাশনের দুর্ঘটনায় নিহত এ ১২ জনের লাশ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। দুর্ঘটনা দু’টিতে নিহত ব্যক্তিদের সন্তান, স্ত্রী ও পিতা-মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই সহায়তার চেক ও সঞ্চয়পত্র গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন ও তাদের কুশল জিজ্ঞাসা করেন। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এক দুর্ঘটনায় আহত একজনকে হুইল চেয়ার প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থার প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, প্রেসসচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী ও বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এ পর্যন্ত ২২ কোটি ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৭২০ টাকার আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ওল্ড রাজশাহী ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন দুই দুর্ঘটনার ১৬ ছেলেমেয়ে এবং আঞ্জুমান মাফিদুল ইসলাম ১২ ছেলেমেয়ের থাকা-খাওয়া ও শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে। তাদের ২১ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত এই সহায়তা দেয়া হবে। এ দিকে দুর্ঘটনা দু’টিতে গুরুতর আহত ৪০ জনের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে এক হাজার ১৩৫ জন নিহত ও অনেকে আহত হন। এর আগে ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ১১১ জন নিহত হন।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Thursday, October 30, 2014
নিহত আরো ৩৪ পরিবারকে চেক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী:নয়াদিগন্ত
চেক ও সঞ্চয়পত্র দেন। এরপর তাজরীনের অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১২ জনের প্রত্যেক পরিবারের হাতে ৭ লাখ টাকা করে চেক ও সঞ্চয়পত্র তুলে দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের জোগান দেয়া ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে তাজরীন ফ্যাশনের দুর্ঘটনায় নিহত এ ১২ জনের লাশ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। দুর্ঘটনা দু’টিতে নিহত ব্যক্তিদের সন্তান, স্ত্রী ও পিতা-মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই সহায়তার চেক ও সঞ্চয়পত্র গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন ও তাদের কুশল জিজ্ঞাসা করেন। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এক দুর্ঘটনায় আহত একজনকে হুইল চেয়ার প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থার প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, প্রেসসচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী ও বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এ পর্যন্ত ২২ কোটি ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৭২০ টাকার আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ওল্ড রাজশাহী ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন দুই দুর্ঘটনার ১৬ ছেলেমেয়ে এবং আঞ্জুমান মাফিদুল ইসলাম ১২ ছেলেমেয়ের থাকা-খাওয়া ও শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে। তাদের ২১ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত এই সহায়তা দেয়া হবে। এ দিকে দুর্ঘটনা দু’টিতে গুরুতর আহত ৪০ জনের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে এক হাজার ১৩৫ জন নিহত ও অনেকে আহত হন। এর আগে ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ১১১ জন নিহত হন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment