Saturday, July 5, 2014

পেঁয়াজের দাম আরও বেড়েছে:প্রথম অালো

পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগে রাজধানীর বাজারে যেসব পণ্যের দাম বেড়ে গিয়েছিল, গতকাল শুক্রবারও এগুলোর বেশির ভাগের উচ্চমূল্য অব্যাহত ছিল। পেঁয়াজের দাম কেজিতে আরও পাঁচ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বেড়েছে সীমিত আয়ের মানুষের ভোগান্তি। রোজা শুরুর আগে হঠাৎ বেগুন, কাঁচা মরিচ, শসা, আলু, পেঁয়াজ, শাকসবজি, মাছ-মাংসের দাম বেড়ে যায়। তিন-চার দিনের ব্যবধানে গতকাল বেগুন, কাঁচা মরিচ ও আলুর দাম কিছু কমেছে। গতকাল রাজধানীর উত্তরা, আশকোনা, মহাখালীসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বিভিন্ন বাজারে গতকাল এক কেজি বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। রোজার শুরুতে বেগুনের দাম উঠেছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা। গত সপ্তাহে ১০০ টাকায় দাম ওঠা কাঁচা মরিচ দামাদামি করে এক কেজি ৬০-৭০ টাকায় কেনা গেছে। কেজিতে দুই-তিন টাকা কমে এখন আলু বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকায়। রোজা শুরুর আগের দিন ও প্রথম রোজার দিন দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪০-৪২ টাকা। এখন তা বেড়ে ৪২-৪৩ টাকা হয়েছে। আর ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানিমূল্য বেড়ে যাওয়ায় ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। রোজা উপলক্ষে গত সপ্তাহে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। গতকালও ওই বর্ধিত দামই ছিল। ভালোমানের এক কেজি শসার দাম ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা। এক কেজি পটোল ৪০-৪৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০-৫৫ টাকা, বরবটি ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক ফালি মিষ্টি কুমড়ার দাম ১৫-২০ টাকা। উচ্ছে কিনতে হলে কেজিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা খরচ করতে হবে। আশকোনা হাজীক্যাম্প বাজারের সবজিবিক্রেতা কামাল মিয়া জানান, বর্ষার কারণে নিয়মিত সবজি আসছে না। তাই দাম বাড়তির দিকে। প্রতি কেজি ছোলা ৫৫-৫৬ টাকা, রসুন (ছোট কোয়া) ৮০ টাকা, রসুন (বড় কোয়া) ৯০ টাকা, মানভেদে মসুর ডাল ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। পাঁচ লিটারের বোতলজাত তীর ব্র্যান্ডের দাম ৫৫৫ টাকা, ফ্রেশ ৫৫০ টাকা ও রূপচাঁদা ৫৬০ টাকা। চালের দামও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এক কেজি নাজিরশাইল চাল ৪৮ থেকে ৫৪ টাকা, মিনিকেট ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা, মানভেদে পারিজাত ও ব্রি-২৮ চাল ৩৪ থেকে ৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ-মাংসের চড়া দাম গতকালও অব্যাহত ছিল।

No comments:

Post a Comment