মির্জা আব্বাস চান মহানগর কমিটির তিনিই সর্বেসর্বা হবেন। এ জন্য তিনি মহানগর কমিটিতে সদস্যসচিব পদ না রাখার পক্ষে ছিলেন। তাতে ব্যর্থ হয়ে পরবর্তী সময়ে তাঁর অনুগত কাউকে সদস্যসচিব পদে বসানোর চেষ্টা-তদবির করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সদস্যসচিব করা হয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেলকে। এতে ক্ষুব্ধ হন মির্জা আব্বাস। পরবর্তী সময়ে আব্বাসের পক্ষের কয়েকজন বিষয়টি খালেদা জিয়ার কাছে উত্থাপন করেছিলেন। এতে খালেদা জিয়া বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি এ বিষয়ে ৫ আগস্ট মহানগর কমিটির সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করেন এবং সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন। মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, ৫ আগস্টের বৈঠকের পর দুই পক্ষ বাহ্যত কোনো বিরোধে না জড়ালেও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ঠান্ডা লড়াই আরও চাঙা হয়েছে। সূত্রগুলো আরও জানায়, ঢাকায় বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা আব্বাসের দীর্ঘদিনের একটা প্রভাব রয়েছে। তাই নতুন কমিটি গঠনের পর তাঁর সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্য বাহ্যত সচেষ্ট ছিলেন সোহেল। খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকের পর থেকে তিনি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে দলের একটি অংশের সমর্থন পাচ্ছেন। এই অংশটি অনেক আগে থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে আব্বাসবিরোধী হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কারও কারও সহানুভূতিও পাচ্ছেন। মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মির্জা আব্বাসের একক কর্তৃত্ব অটুট আছে। এ ক্ষেত্রে তিনি কমিটির একজন উপদেষ্টা, একজন যুগ্ম আহ্বায়ক ও দুজন সদস্যকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। মির্জা আব্বাস নিজেও গত ১১ আগস্ট প্রথম আলোতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি সাধারণত চারজনের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেন। সোহেলের মতো মির্জা আব্বাসও শুরু থেকে দাবি করে আসছেন, তাঁদের কমিটিতে কোনো দ্বন্দ্ব-বিরোধ নেই। এদিকে এই মহানগর কমিটিকে এক মাসের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে ঢাকার ১০০টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড ও ৪৯টি থানায় বিএনপির কমিটি গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এ জন্য ১৫টি উপকমিটিও গঠন করা হয়। এর মধ্যে এক মাস পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো ওয়ার্ড বা থানা কমিটি গঠন করতে পারেনি। উপরন্তু সম্ভাব্য কমিটি গঠন নিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়েও অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। এ বিষয়ে হাবিব-উন-নবী খান সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের ছুটি এবং এরপর জোটের দুটি কর্মসূচি নিয়ে মহানগর কমিটি ব্যস্ত ছিল, এ কারণে কোনো ওয়ার্ড বা থানা কমিটির সম্মেলন করা যায়নি। তবে কাজ চলছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কমিটি গঠন করা হবে।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Sunday, August 24, 2014
কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ঠান্ডা লড়াই:প্রথম অালো
মির্জা আব্বাস চান মহানগর কমিটির তিনিই সর্বেসর্বা হবেন। এ জন্য তিনি মহানগর কমিটিতে সদস্যসচিব পদ না রাখার পক্ষে ছিলেন। তাতে ব্যর্থ হয়ে পরবর্তী সময়ে তাঁর অনুগত কাউকে সদস্যসচিব পদে বসানোর চেষ্টা-তদবির করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সদস্যসচিব করা হয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেলকে। এতে ক্ষুব্ধ হন মির্জা আব্বাস। পরবর্তী সময়ে আব্বাসের পক্ষের কয়েকজন বিষয়টি খালেদা জিয়ার কাছে উত্থাপন করেছিলেন। এতে খালেদা জিয়া বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি এ বিষয়ে ৫ আগস্ট মহানগর কমিটির সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করেন এবং সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন। মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, ৫ আগস্টের বৈঠকের পর দুই পক্ষ বাহ্যত কোনো বিরোধে না জড়ালেও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ঠান্ডা লড়াই আরও চাঙা হয়েছে। সূত্রগুলো আরও জানায়, ঢাকায় বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা আব্বাসের দীর্ঘদিনের একটা প্রভাব রয়েছে। তাই নতুন কমিটি গঠনের পর তাঁর সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্য বাহ্যত সচেষ্ট ছিলেন সোহেল। খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকের পর থেকে তিনি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে দলের একটি অংশের সমর্থন পাচ্ছেন। এই অংশটি অনেক আগে থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে আব্বাসবিরোধী হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কারও কারও সহানুভূতিও পাচ্ছেন। মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মির্জা আব্বাসের একক কর্তৃত্ব অটুট আছে। এ ক্ষেত্রে তিনি কমিটির একজন উপদেষ্টা, একজন যুগ্ম আহ্বায়ক ও দুজন সদস্যকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। মির্জা আব্বাস নিজেও গত ১১ আগস্ট প্রথম আলোতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি সাধারণত চারজনের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেন। সোহেলের মতো মির্জা আব্বাসও শুরু থেকে দাবি করে আসছেন, তাঁদের কমিটিতে কোনো দ্বন্দ্ব-বিরোধ নেই। এদিকে এই মহানগর কমিটিকে এক মাসের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে ঢাকার ১০০টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড ও ৪৯টি থানায় বিএনপির কমিটি গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এ জন্য ১৫টি উপকমিটিও গঠন করা হয়। এর মধ্যে এক মাস পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো ওয়ার্ড বা থানা কমিটি গঠন করতে পারেনি। উপরন্তু সম্ভাব্য কমিটি গঠন নিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়েও অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। এ বিষয়ে হাবিব-উন-নবী খান সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের ছুটি এবং এরপর জোটের দুটি কর্মসূচি নিয়ে মহানগর কমিটি ব্যস্ত ছিল, এ কারণে কোনো ওয়ার্ড বা থানা কমিটির সম্মেলন করা যায়নি। তবে কাজ চলছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কমিটি গঠন করা হবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment