তকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। খোলা ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ১৯ আগস্ট জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার প্রতিবাদে একই স্থানে সমাবেশ করে ২০ দল। সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই সরকার অবৈধ। তারা তড়িঘড়ি করে বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদে ফিরিয়ে নেওয়ার বিল এনেছে। এটা দুরভিসন্ধিমূলক। এর সঙ্গে অনেক প্রতিষ্ঠান যেমন- নির্বাচন কমিশন, কর্মকমিশন, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের বিষয় জড়িত। এই বিল সংসদে পাস হলে এসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলরা আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন না। কারণ এই অভিশংসনের পর যে বিচারপতি একদিন এই প্রধানমন্ত্রীকে (শেখ হাসিনা) রং হেডেড বলেছিলেন তাঁর কী হবে? ওই বিচারপতি দেশে আছেন কি না জানি না। যদি থাকেন তাহলে দেশ ছাড়ুন। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে জনগণ চাইলে হরতাল বন্ধে আইন করা হবে। আমি বলব, জনগণ তো আপনাকে চায় না। আপনারা ক্ষমতা ছাড়ুন। জনগণকে পাগল-ছাগল ভাববেন না। আপনারা যত আইন আর কালাকানুন করুন না কেন, কোনো কিছুই বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আমাদের আন্দোলন সহিংস নয়, অহিংস হবে। রাজপথে জনতার ঢল নামবে। দয়া করে আপনারা সহিংস আচরণ করবেন না।’ স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, বিচার বিভাগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে সরকার তড়িঘড়ি করে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল এনেছে। সরকার রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ ধ্বংস করে দিচ্ছে। প্রশাসন ও সংসদ তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। এখন বিচার বিভাগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এর বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে। আন্দোলনের মাধ্যমে এই অবৈধ সরকার উৎখাত করতে হবে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ বিরোধী দলের লাখ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরেরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদে ফিরিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ও ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদসহ সিনিয়র আইনজীবীরা অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এ থেকে বোঝা যায়, শেখ হাসিনার ঘরে আগুন লেগেছে। যত চেষ্টাই করা হোক না কেন তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বলেন, যখন সরকার দেখছে- হাজার হাজার মামলা-মোকদ্দমা দিয়েও বিরোধী দলকে দমাতে পারছে না, তখন দুরভিসন্ধিমূলকভাবে বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণে আনতে বিচারপতিদের অভিশংসন আইন সংশোধন করছে। সংবিধান ধ্বংস করতেই তারা এটা করছে। সরকার যে পথে এগোচ্ছে, তাতে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তাদের পতন ঘটবে। জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক তাসনীম আলম বলেন, এই অবৈধ সরকারের কোনো এখতিয়ার নেই বিচারপতিদের অভিশংসন আইন সংশোধনের। সবাইকে মাঠে নেমে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। তিনি জামায়াতের কারাবন্দি আমির যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবি জানান। ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী বলেন, সরকার বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিতেই সংসদে বিচারপতিদের অভিশংসনের ষোড়শ সংশোধনী বিল এনেছে। জনগণ এটা মানে না। সরকারকে বলব, ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে যতই আটঘাট বাঁধুন না কেন, আপনাদের ক্ষমতা ছাড়তেই হবে। কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিকেল ৩টায় সভা শুরুর পর প্রথম বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনামুল হক। পরে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহাবুদ্দিন মুন্না ও ছাত্রশিবিরের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোবারক হোসাইন বক্তব্য দেন। সমাবেশ ঘিরে দুপুর থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে থাকে। সমাবেশ পরিচালনা করেন মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম। জনসভাস্থলের চারপাশ এবং অস্থায়ী মঞ্চের পেছনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সকাল থেকে সমাবেশ শেষ হওয়া পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে থাকে। সমাবেশে বিপুল জনসমাগমের কারণে মৎস্যভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়াপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, আবদুল আউয়াল মিন্টু, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু, সালাহউদ্দিন আহমেদ, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম, নাজিমউদ্দিন আলম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মধ্যে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আবু সাঈদ খান খোকন, শিরিন সুলতানা, মীর সরফত আলী সপু, আলী রেজাউর রহমান রিপন, এস এম জাহাঙ্গীর, রফিকুল আলম মজনু, সাহাবুদ্দিন মুন্না, হাবিবুর রশীদ হাবিব, আবুল মনসুর খান দীপক, খন্দকার এনামুল হক প্রমুখ সমাবেশে বক্তব্য দেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, খেলাফত মজলিশের আহমেদ আবদুল কাদের, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির খোন্দকার গোলাম মুর্তজা, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, ডেমোক্রেটিক লীগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, মুসলিম লীগের জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, জমিয়তে উলামা ইসলামের মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম প্রমুখ।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Friday, September 12, 2014
কোনো কালাকানুনই বিনা চ্যালেঞ্জে ছাড়া হবে না:কালের কন্ঠ
তকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। খোলা ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ১৯ আগস্ট জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার প্রতিবাদে একই স্থানে সমাবেশ করে ২০ দল। সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই সরকার অবৈধ। তারা তড়িঘড়ি করে বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদে ফিরিয়ে নেওয়ার বিল এনেছে। এটা দুরভিসন্ধিমূলক। এর সঙ্গে অনেক প্রতিষ্ঠান যেমন- নির্বাচন কমিশন, কর্মকমিশন, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের বিষয় জড়িত। এই বিল সংসদে পাস হলে এসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলরা আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন না। কারণ এই অভিশংসনের পর যে বিচারপতি একদিন এই প্রধানমন্ত্রীকে (শেখ হাসিনা) রং হেডেড বলেছিলেন তাঁর কী হবে? ওই বিচারপতি দেশে আছেন কি না জানি না। যদি থাকেন তাহলে দেশ ছাড়ুন। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে জনগণ চাইলে হরতাল বন্ধে আইন করা হবে। আমি বলব, জনগণ তো আপনাকে চায় না। আপনারা ক্ষমতা ছাড়ুন। জনগণকে পাগল-ছাগল ভাববেন না। আপনারা যত আইন আর কালাকানুন করুন না কেন, কোনো কিছুই বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আমাদের আন্দোলন সহিংস নয়, অহিংস হবে। রাজপথে জনতার ঢল নামবে। দয়া করে আপনারা সহিংস আচরণ করবেন না।’ স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, বিচার বিভাগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে সরকার তড়িঘড়ি করে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল এনেছে। সরকার রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ ধ্বংস করে দিচ্ছে। প্রশাসন ও সংসদ তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। এখন বিচার বিভাগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এর বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে। আন্দোলনের মাধ্যমে এই অবৈধ সরকার উৎখাত করতে হবে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ বিরোধী দলের লাখ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরেরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদে ফিরিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ও ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদসহ সিনিয়র আইনজীবীরা অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এ থেকে বোঝা যায়, শেখ হাসিনার ঘরে আগুন লেগেছে। যত চেষ্টাই করা হোক না কেন তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বলেন, যখন সরকার দেখছে- হাজার হাজার মামলা-মোকদ্দমা দিয়েও বিরোধী দলকে দমাতে পারছে না, তখন দুরভিসন্ধিমূলকভাবে বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণে আনতে বিচারপতিদের অভিশংসন আইন সংশোধন করছে। সংবিধান ধ্বংস করতেই তারা এটা করছে। সরকার যে পথে এগোচ্ছে, তাতে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তাদের পতন ঘটবে। জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক তাসনীম আলম বলেন, এই অবৈধ সরকারের কোনো এখতিয়ার নেই বিচারপতিদের অভিশংসন আইন সংশোধনের। সবাইকে মাঠে নেমে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। তিনি জামায়াতের কারাবন্দি আমির যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবি জানান। ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী বলেন, সরকার বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিতেই সংসদে বিচারপতিদের অভিশংসনের ষোড়শ সংশোধনী বিল এনেছে। জনগণ এটা মানে না। সরকারকে বলব, ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে যতই আটঘাট বাঁধুন না কেন, আপনাদের ক্ষমতা ছাড়তেই হবে। কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিকেল ৩টায় সভা শুরুর পর প্রথম বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনামুল হক। পরে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহাবুদ্দিন মুন্না ও ছাত্রশিবিরের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোবারক হোসাইন বক্তব্য দেন। সমাবেশ ঘিরে দুপুর থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে থাকে। সমাবেশ পরিচালনা করেন মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম। জনসভাস্থলের চারপাশ এবং অস্থায়ী মঞ্চের পেছনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সকাল থেকে সমাবেশ শেষ হওয়া পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে থাকে। সমাবেশে বিপুল জনসমাগমের কারণে মৎস্যভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়াপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, আবদুল আউয়াল মিন্টু, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু, সালাহউদ্দিন আহমেদ, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম, নাজিমউদ্দিন আলম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মধ্যে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আবু সাঈদ খান খোকন, শিরিন সুলতানা, মীর সরফত আলী সপু, আলী রেজাউর রহমান রিপন, এস এম জাহাঙ্গীর, রফিকুল আলম মজনু, সাহাবুদ্দিন মুন্না, হাবিবুর রশীদ হাবিব, আবুল মনসুর খান দীপক, খন্দকার এনামুল হক প্রমুখ সমাবেশে বক্তব্য দেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, খেলাফত মজলিশের আহমেদ আবদুল কাদের, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির খোন্দকার গোলাম মুর্তজা, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, ডেমোক্রেটিক লীগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, মুসলিম লীগের জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, জমিয়তে উলামা ইসলামের মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম প্রমুখ।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment