দের নাম প্রকাশ করল ভারত সরকার। যে তিনজনের নাম গতকাল সুপ্রিম কোর্টে উপস্থাপন করা হয়, তাঁরা হলেন ডাবর ইন্ডিয়া গ্রুপের সাবেক পরিচালক প্রদীপ বর্মণ, রাজকোটের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পঙ্কজ চিমনলাল লোধিয়া এবং গোয়ার খনি ব্যবসায়ী রাধা টিমলো। এছাড়া টিমলোর পরিবারের আরও চার সদস্যের নাম আছে তালিকায়। তবে তিন ব্যাবসায়ীই তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সুইস ব্যাংকে অর্থ গচ্ছিত রাখার বিষয়ে ভারতের অন্যতম প্রধান ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ডাবর এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রদীপ বর্মণ অনাবাসী ভারতীয় (এনআরআই) থাকাকালে একটি হিসাব খুলেছিলেন। সেটা বৈধভাবেই তিনি করেছিলেন। হিসাবটি খুলতে সব আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলা হয়েছে।’ আর সুইস ব্যাংকে কোনো ব্যাংক একাউন্ট নেই বলে দাবি করে পঙ্কজ লোধিয়া বলেন, ‘আমার সমস্ত সম্পদের হিসাব দিয়েছি।’ ভারতে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় বিদেশি ব্যাংকে যেসব ভারতীয়র টাকা জমা আছে, তাঁদের নাম প্রকাশ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। দুর্নীতি কমাতে দলটি বিদেশি ব্যাংকে জমা থাকা শত শত কোটি টাকা ফিরিয়ে আনারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সে সময়। সুপ্রিম কোর্টে সরকারের দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, কালোটাকা বিদেশে রেখেছে এমন সবার নাম প্রকাশে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার পর সব নিয়ম-নীতি মেনে নাম প্রকাশ করা হবে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর কালোটাকার আমানতকারীদের নাম প্রকাশে দেরি করায় বিরোধীরা সমালোচনা শুরু করে। কর আইন অনুসারে অভিযোগ গঠন না হওয়া পর্যন্ত কারও নাম প্রকাশে বিধিনিষেধের কথা বলা হলে বিরোধী দল কংগ্রেস অভিযোগ করে, বিজেপি ১০০ দিনের মধ্যে নাম প্রকাশ করার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে। গতকাল সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, বিদেশি ব্যাংকে কালোটাকা আছে বিরোধী দল কংগ্রেসের এমন চারজন সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এর মধ্যে সদ্য বিদায়ী কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের একজন মন্ত্রীও আছেন। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িত আছেন এমন দুই ব্যক্তিও আছেন। ভারতীয়দের কত কালোটাকা বিদেশে: ভারতীয়দের কত কালোটাকা আছে, সরকারিভাবে এর কোনো হিসাব নেই। ২০১১ সালে ভারত সরকার তিনটি প্রতিষ্ঠানকে দেশে ও বিদেশে থাকা কালোটাকার হিসাব বের করার দায়িত্ব দেয়। সংস্থাগুলো তাদের প্রতিবেদন এখনো জমা দেয়নি। ‘ইলিসিট ফিন্যান্সিয়াল ফ্লোস ফ্রম ডেভেলপিং কান্ট্রিস: ২০০২-২০১১’ নামের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে ভারত অবৈধ টাকা বিদেশে পাচারের ক্ষেত্রে তৃতীয় বৃহৎ দেশ। সে বছর দেশটি থেকে প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইনটিগ্রিটির হিসাব অনুসারে, ১৯৪৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভারত থেকে ২৮ লাখ কোটি রুপি পাচার হয়েছে।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Tuesday, October 28, 2014
তিন ব্যবসায়ীর নাম প্রকাশ করল ভারত:প্রথম অালো
দের নাম প্রকাশ করল ভারত সরকার। যে তিনজনের নাম গতকাল সুপ্রিম কোর্টে উপস্থাপন করা হয়, তাঁরা হলেন ডাবর ইন্ডিয়া গ্রুপের সাবেক পরিচালক প্রদীপ বর্মণ, রাজকোটের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পঙ্কজ চিমনলাল লোধিয়া এবং গোয়ার খনি ব্যবসায়ী রাধা টিমলো। এছাড়া টিমলোর পরিবারের আরও চার সদস্যের নাম আছে তালিকায়। তবে তিন ব্যাবসায়ীই তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সুইস ব্যাংকে অর্থ গচ্ছিত রাখার বিষয়ে ভারতের অন্যতম প্রধান ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ডাবর এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রদীপ বর্মণ অনাবাসী ভারতীয় (এনআরআই) থাকাকালে একটি হিসাব খুলেছিলেন। সেটা বৈধভাবেই তিনি করেছিলেন। হিসাবটি খুলতে সব আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলা হয়েছে।’ আর সুইস ব্যাংকে কোনো ব্যাংক একাউন্ট নেই বলে দাবি করে পঙ্কজ লোধিয়া বলেন, ‘আমার সমস্ত সম্পদের হিসাব দিয়েছি।’ ভারতে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় বিদেশি ব্যাংকে যেসব ভারতীয়র টাকা জমা আছে, তাঁদের নাম প্রকাশ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। দুর্নীতি কমাতে দলটি বিদেশি ব্যাংকে জমা থাকা শত শত কোটি টাকা ফিরিয়ে আনারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সে সময়। সুপ্রিম কোর্টে সরকারের দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, কালোটাকা বিদেশে রেখেছে এমন সবার নাম প্রকাশে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার পর সব নিয়ম-নীতি মেনে নাম প্রকাশ করা হবে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর কালোটাকার আমানতকারীদের নাম প্রকাশে দেরি করায় বিরোধীরা সমালোচনা শুরু করে। কর আইন অনুসারে অভিযোগ গঠন না হওয়া পর্যন্ত কারও নাম প্রকাশে বিধিনিষেধের কথা বলা হলে বিরোধী দল কংগ্রেস অভিযোগ করে, বিজেপি ১০০ দিনের মধ্যে নাম প্রকাশ করার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে। গতকাল সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, বিদেশি ব্যাংকে কালোটাকা আছে বিরোধী দল কংগ্রেসের এমন চারজন সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এর মধ্যে সদ্য বিদায়ী কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের একজন মন্ত্রীও আছেন। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িত আছেন এমন দুই ব্যক্তিও আছেন। ভারতীয়দের কত কালোটাকা বিদেশে: ভারতীয়দের কত কালোটাকা আছে, সরকারিভাবে এর কোনো হিসাব নেই। ২০১১ সালে ভারত সরকার তিনটি প্রতিষ্ঠানকে দেশে ও বিদেশে থাকা কালোটাকার হিসাব বের করার দায়িত্ব দেয়। সংস্থাগুলো তাদের প্রতিবেদন এখনো জমা দেয়নি। ‘ইলিসিট ফিন্যান্সিয়াল ফ্লোস ফ্রম ডেভেলপিং কান্ট্রিস: ২০০২-২০১১’ নামের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে ভারত অবৈধ টাকা বিদেশে পাচারের ক্ষেত্রে তৃতীয় বৃহৎ দেশ। সে বছর দেশটি থেকে প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইনটিগ্রিটির হিসাব অনুসারে, ১৯৪৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভারত থেকে ২৮ লাখ কোটি রুপি পাচার হয়েছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment