ায় ‘মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন বা একে ক্ষুণ্ন করে এমন আইনগুলো বাতিল’ করার কথা বলা হয়েছে। আর ২১২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে প্রশাসনিক আদালত ও ট্রাইব্যুনালের বিষয়গুলো। এসব ধারা সংশোধন করা হলে ‘আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২’ অনুসরণ করে ধারাগুলোতে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের বিচারে বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠার বিষয়ে পরিবর্তন আনা হবে। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, দুই বছর পর ওই সামরিক আদালতগুলোর কাজ গুটিয়ে ফেলা হবে। সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের খসড়া সম্ভবত এ সপ্তাহেই পার্লামেন্টে তোলা হবে।’ প্রস্তাবিত সংশোধনী প্রসঙ্গে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারপারসন আসমা জাহাঙ্গীর বলেন, প্রথম দিন থেকেই এটা পরিষ্কার ছিল যে, (সন্ত্রাসের বিচারে) সামরিক আদালত প্রতিষ্ঠার আগে সরকারকে মানুষের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দানকারী সংবিধানের ধারাগুলো দুর্বল করতে হবে। আসমা জাহাঙ্গীর বলেন, প্রস্তাবিত সংশোধনী ১০-এর এ ধারাকেও ক্ষুণ্ন করবে। এই ধারায় প্রত্যেক নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারের নিশ্চয়তার কথা বলা আছে। সরকারের এই উদ্যোগকে সংবিধানের মূল চেতনার বিরোধী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Tuesday, December 30, 2014
সংবিধান পরিবর্তন করছে পাকিস্তান!:প্রথম অালো
ায় ‘মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন বা একে ক্ষুণ্ন করে এমন আইনগুলো বাতিল’ করার কথা বলা হয়েছে। আর ২১২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে প্রশাসনিক আদালত ও ট্রাইব্যুনালের বিষয়গুলো। এসব ধারা সংশোধন করা হলে ‘আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২’ অনুসরণ করে ধারাগুলোতে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের বিচারে বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠার বিষয়ে পরিবর্তন আনা হবে। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, দুই বছর পর ওই সামরিক আদালতগুলোর কাজ গুটিয়ে ফেলা হবে। সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের খসড়া সম্ভবত এ সপ্তাহেই পার্লামেন্টে তোলা হবে।’ প্রস্তাবিত সংশোধনী প্রসঙ্গে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারপারসন আসমা জাহাঙ্গীর বলেন, প্রথম দিন থেকেই এটা পরিষ্কার ছিল যে, (সন্ত্রাসের বিচারে) সামরিক আদালত প্রতিষ্ঠার আগে সরকারকে মানুষের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দানকারী সংবিধানের ধারাগুলো দুর্বল করতে হবে। আসমা জাহাঙ্গীর বলেন, প্রস্তাবিত সংশোধনী ১০-এর এ ধারাকেও ক্ষুণ্ন করবে। এই ধারায় প্রত্যেক নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারের নিশ্চয়তার কথা বলা আছে। সরকারের এই উদ্যোগকে সংবিধানের মূল চেতনার বিরোধী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment