Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Sunday, July 6, 2014
সিলেটে চানাভুনা ও খিচুড়ির কদর বেশি:কালের কন্ঠ
সিলেটে ইফতারিতে খিচুড়ি, কাঁচা চানা, চানাভুনা, পেঁয়াজুর পাশাপাশি নানা ধরনের মুখরোচক খাবার থাকে। বিশেষ করে বিশ্বনাথ, জগন্নাথপুর, বিয়ানীবাজারসহ প্রবাসীবহুল এলাকায় ইফতারিতে থাকে উন্নতমানের খাবার। এক সময় সিলেটে ইফতারিতে বাখরখানির বেশ কদর ছিল; কিন্তু এই খাবারটিতে আগেকার সেই স্বাদ না থাকায় এখন এর চাহিদা কম। তবে বেশ ক’বছর থেকে সিলেট নগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে রোজাদারদের পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে রুহ আফজা শরবত। সিলেটের বাসাবাড়িতে উল্লিখিত খাদ্যসামগ্রী ছাড়াও ইফতারিতে থাকে খেজুর, বেগুনি, আলুচপ প্রভৃতি। সিলেট নগরীতে ব্যবসা ও চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন জেলার বিপুলসংখ্যক লোক বাস করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও অধ্যয়নরত রয়েছেন সিলেটের বাইরের প্রচুর ছাত্রছাত্রী। এসব লোকজনের বেশির ভাগ ও স্থানীয় ভোজনবিলাসীরা বাজার থেকে নানা ধরনের ইফতারসামগ্রী ক্রয় করে থাকেন। এবার ইফতারসামগ্রীর দাম গত বছরের তুলনায় বেশি। খেজুর, চানা, পেঁয়াজু, খিচুড়ি, আলুচপ, ডিমচপ, জিলেপি, বেগুনি, শামি কাবাব, চিকেন কাবাবের পাশাপাশি পুরান ঢাকার ইফতারি এখন সিলেটের বাজারে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন দামের এসব ইফতারি আকৃষ্ট করছে রোজাদারদের। চালু করা হয়েছে নানা মূল্যের ইফতারি। তবে এর বাইরে ক্রেতারা কবুতর রোস্ট, মোম্বাই চিকেন রোস্ট, হাঁসের রোস্ট, মাটন পেগ রোস্ট, বিফ কাবাব, উইংস, শামি কাবাব, বোম্বাই চপ ও সমুচা, মাছের কাবাব, সাসলিক, ঝাল সমুচা, বোম্বাই পরোটা, মোরগ-খিচুড়ি ও ফালুদা কিনে নিচ্ছেন ইফতারের জন্য। মওসুমী ফলও বিক্রি হচ্ছে প্রচুর। এ দিকে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে ইফতারি পাঠানোর রেওয়াজ সিলেট অঞ্চলে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। সদ্য বিয়ে দেয়া মেয়ের বাড়িসহ অর্ধ শতাব্দী আগে বিয়ে হয়েছে এমন মেয়েদের বাড়িতেও ইফতারি পাঠিয়ে থাকেন আত্মীয়স্বজনেরা। মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠানোর এই রেওয়াজ কবে থেকে শুরু হয়েছে তা কারো স্মরণে নেই। সবারই এক কথা, ছোটবেলা থেকে আমরা এই রীতি দেখে আসছি। সিলেটের মেয়েদের বিয়ে হওয়ার পর রমজান মাস এলেই মা-বাবা ব্যস্ত হয়ে পড়েন মেয়ের বাড়ি ইফতারি পাঠাতে। সদ্য বিয়ে হওয়া মেয়ের বাড়ি ইফতারি পাঠানো হয় দুই দফা। রমজান মাসের প্রথম দিনেই স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সবার সাথে মেয়ে যাতে খুশি মনে ইফতার করে সে জন্য কিছু খাবার-দাবার পাঠানো হয়। এর পর রমজান মাসের একটি নির্দিষ্ট দিন ঠিক করে মেয়ের বাড়ি ঘটা করে ইফতারি পাঠানো হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে জামাইর বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়স্বজনেরা শরিক হন। মেয়ের বাড়িতে কয়েক বছর এভাবে ঘটা করে ইফতারি পাঠানো হয়। পরে সামর্থ্য অনুযায়ী রমজান মাসে কমপক্ষে একবার হলেও মেয়ের বাড়িতে ইফতারি পাঠান মা-বাবা। মা-বাবা মারা গেলে ভাইয়েরা এই দায়িত্ব পালন করেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment