্টগ্রাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বলা হয়েছে। মহিউদ্দিন চৌধুরীকে তাঁর হাজির হওয়ার বিষয়টি জানাতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ, অস্ত্র মামলায় নিজাম উদ্দিন হাজারীর ১০ বছর কারাদণ্ড’ শিরোনামে গত ১০ মে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে নিজাম উদ্দিন হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা নিয়ে ফেনীর স্থানীয় যুবলীগের নেতা সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়ার করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ জুন আদালত রুলসহ আদেশ দেন। এরপর ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট ২০০৬ সালের ফৌজদারি আপিলের নথি তলব, সে সময় তাঁর পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী এম এ বাশার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ধার্য তারিখে আদালতে হাজির হয়ে অবস্থান জানাতে নির্দেশ দেন। ২০০৬ সালে হাইকোর্টের জামিন আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে করা বিবিধ মামলার (মিস কেস) নথিও তলব করা হয়। শুনানির জন্য ১৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল আইনজীবী এম এ বাশারের পক্ষে স্বাস্থ্যগত কারণে আইনজীবী সাইফুল করিম দুই সপ্তাহ সময়ের আবেদন জানান। ২০০৬ সালের সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি আপিলের নথি উপস্থাপনের জন্য রেজিস্ট্রারের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। শুনানির পর আদালত আদেশ দেন এবং ৫ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন। রিট আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি শুনানি করেন। আদালতে নিজাম হাজারীর পক্ষে আইনজীবী নূরুল ইসলাম সুজন ও প্রথম আলোর পক্ষে আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী মামলা পরিচালনা করেন। পরে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৬ সালে হাইকোর্টের জামিন আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে করা বিবিধ মামলার (মিস কেস) নথি চট্টগ্রাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষ থেকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ২০০৬ সালের সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপনের জন্য সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন আদালত। ওই দিন নিজাম হাজারীর আইনজীবী এম এ বাশার এবং সে সময় রাষ্ট্রপক্ষে নিয়োজিত মহিউদ্দিন চৌধুরীকে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে রুলে নিজাম হাজারী কোন কর্তৃত্ববলে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে পদে আছেন, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে নিজাম হাজারীর কারাবাসে থাকার সময়কালের প্রতিবেদন ও এ-সংক্রান্ত নথিপত্র ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ও চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রথম আলোকে হলফনামাসহ ওই প্রতিবেদনের সত্যতা প্রমাণ করতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৬ জুলাই কারা কর্তৃপক্ষ ও প্রথম আলোর পক্ষ থেকে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ওই দিন শুনানি নিয়ে আদালত নিজাম হাজারীর দুটি ফৌজদারি আপিলের নথি তলব করেন।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Tuesday, October 21, 2014
জামিনদার ও আইনজীবীকে হাজিরের নির্দেশ:প্রথম অালো
্টগ্রাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বলা হয়েছে। মহিউদ্দিন চৌধুরীকে তাঁর হাজির হওয়ার বিষয়টি জানাতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ, অস্ত্র মামলায় নিজাম উদ্দিন হাজারীর ১০ বছর কারাদণ্ড’ শিরোনামে গত ১০ মে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে নিজাম উদ্দিন হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা নিয়ে ফেনীর স্থানীয় যুবলীগের নেতা সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়ার করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ জুন আদালত রুলসহ আদেশ দেন। এরপর ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট ২০০৬ সালের ফৌজদারি আপিলের নথি তলব, সে সময় তাঁর পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী এম এ বাশার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ধার্য তারিখে আদালতে হাজির হয়ে অবস্থান জানাতে নির্দেশ দেন। ২০০৬ সালে হাইকোর্টের জামিন আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে করা বিবিধ মামলার (মিস কেস) নথিও তলব করা হয়। শুনানির জন্য ১৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল আইনজীবী এম এ বাশারের পক্ষে স্বাস্থ্যগত কারণে আইনজীবী সাইফুল করিম দুই সপ্তাহ সময়ের আবেদন জানান। ২০০৬ সালের সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি আপিলের নথি উপস্থাপনের জন্য রেজিস্ট্রারের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। শুনানির পর আদালত আদেশ দেন এবং ৫ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন। রিট আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি শুনানি করেন। আদালতে নিজাম হাজারীর পক্ষে আইনজীবী নূরুল ইসলাম সুজন ও প্রথম আলোর পক্ষে আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী মামলা পরিচালনা করেন। পরে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৬ সালে হাইকোর্টের জামিন আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে করা বিবিধ মামলার (মিস কেস) নথি চট্টগ্রাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষ থেকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ২০০৬ সালের সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপনের জন্য সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন আদালত। ওই দিন নিজাম হাজারীর আইনজীবী এম এ বাশার এবং সে সময় রাষ্ট্রপক্ষে নিয়োজিত মহিউদ্দিন চৌধুরীকে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে রুলে নিজাম হাজারী কোন কর্তৃত্ববলে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে পদে আছেন, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে নিজাম হাজারীর কারাবাসে থাকার সময়কালের প্রতিবেদন ও এ-সংক্রান্ত নথিপত্র ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ও চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রথম আলোকে হলফনামাসহ ওই প্রতিবেদনের সত্যতা প্রমাণ করতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৬ জুলাই কারা কর্তৃপক্ষ ও প্রথম আলোর পক্ষ থেকে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ওই দিন শুনানি নিয়ে আদালত নিজাম হাজারীর দুটি ফৌজদারি আপিলের নথি তলব করেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment