য়ার সুপারিশ করে গত রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক যতন কুমার রায়। দুদকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খোন্দকার শওকতের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে অনেক তথ্য পেলেও নানামুখী চাপের কারণে তদন্ত কর্মকর্তা সেসব এড়িয়ে গেছেন। আবার তদন্ত কর্মকর্তা যতন কুমারকে অবসরে যাওয়ার ঠিক আগে পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। আজ ১১ নভেম্বর তিনি অবসরে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে দুদকের কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। দুদক সূত্র জানায়, শওকতের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী ও মায়ের নামে একাধিক প্লট গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর চেয়েও ক্ষমতাশালী ১২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি একই পদ্ধতিতে একাধিক প্লট গ্রহণ করেছেন। তাই এই প্রেক্ষাপটে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আরও অনেককে অভিযুক্ত করতে হবে। এতে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করা জটিল হয়ে পড়বে। তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, খোন্দকার শওকত হোসেন প্লটের আবেদন করে আইন ভঙ্গ করেননি, বরং যাঁরা বরাদ্দ দিয়েছেন, তাঁদের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। ছয় মাস ধরে এ মামলার তদন্তে শওকত, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৩০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গণপূর্ত সচিব থাকাকালে নামে-বেনামে একাধিক প্লট গ্রহণ এবং বেআইনিভাবে সবগুলো প্লটের আয়তন পরিবর্তনের অভিযোগে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল খোন্দকার শওকত হোসেনকে একমাত্র আসামি করে আলাদা তিনটি মামলা করে দুদক। ওই সময়ে দুদকের উপপরিচালক (বর্তমানে পরিচালক) যতন কুমার রায় বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলাগুলো করেছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর ইন্দিরা রোডে নিজের মালিকানায় অ্যাপার্টমেন্ট থাকা সত্ত্বেও উত্তরায় রাজউকের প্লট নিয়েছেন খোন্দকার শওকত। পরে আকার পরিবর্তন করেছেন। মা জাকিয়া আমজাদের নামে উত্তরায় প্লট নেওয়ার পর আকার বৃদ্ধি করে বিক্রি করেছেন। পূর্বাচল প্রকল্পে স্ত্রী আয়েশা খানমের নামে প্লট নিয়ে দুই দফা আকার বৃদ্ধি করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা নন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী: মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কর্মকর্তার প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য আরেক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত রোববার কমিশনের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত সপ্তাহে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেন। আর গত রোববার কমিশনের বৈঠকে প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য উপপরিচালক জুলফিকার আলীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পর্যালোচনা প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশনের বৈঠকে সেটা উপস্থাপন করা হবে। দুদক সূত্র জানিয়েছে, ওয়াহিদুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়েই মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার সপক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দুদককে দেখাতে পারেননি। তাই ওয়াহিদুর রহমানের সনদ বাতিলের সুপারিশ করেছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে। ওয়াহিদুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যানও।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Tuesday, November 11, 2014
দুদক দায়মুক্তি দিচ্ছে সচিব শওকতকেও:প্রথম অালো
য়ার সুপারিশ করে গত রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক যতন কুমার রায়। দুদকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খোন্দকার শওকতের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে অনেক তথ্য পেলেও নানামুখী চাপের কারণে তদন্ত কর্মকর্তা সেসব এড়িয়ে গেছেন। আবার তদন্ত কর্মকর্তা যতন কুমারকে অবসরে যাওয়ার ঠিক আগে পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। আজ ১১ নভেম্বর তিনি অবসরে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে দুদকের কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। দুদক সূত্র জানায়, শওকতের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী ও মায়ের নামে একাধিক প্লট গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর চেয়েও ক্ষমতাশালী ১২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি একই পদ্ধতিতে একাধিক প্লট গ্রহণ করেছেন। তাই এই প্রেক্ষাপটে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আরও অনেককে অভিযুক্ত করতে হবে। এতে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করা জটিল হয়ে পড়বে। তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, খোন্দকার শওকত হোসেন প্লটের আবেদন করে আইন ভঙ্গ করেননি, বরং যাঁরা বরাদ্দ দিয়েছেন, তাঁদের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। ছয় মাস ধরে এ মামলার তদন্তে শওকত, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৩০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গণপূর্ত সচিব থাকাকালে নামে-বেনামে একাধিক প্লট গ্রহণ এবং বেআইনিভাবে সবগুলো প্লটের আয়তন পরিবর্তনের অভিযোগে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল খোন্দকার শওকত হোসেনকে একমাত্র আসামি করে আলাদা তিনটি মামলা করে দুদক। ওই সময়ে দুদকের উপপরিচালক (বর্তমানে পরিচালক) যতন কুমার রায় বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলাগুলো করেছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর ইন্দিরা রোডে নিজের মালিকানায় অ্যাপার্টমেন্ট থাকা সত্ত্বেও উত্তরায় রাজউকের প্লট নিয়েছেন খোন্দকার শওকত। পরে আকার পরিবর্তন করেছেন। মা জাকিয়া আমজাদের নামে উত্তরায় প্লট নেওয়ার পর আকার বৃদ্ধি করে বিক্রি করেছেন। পূর্বাচল প্রকল্পে স্ত্রী আয়েশা খানমের নামে প্লট নিয়ে দুই দফা আকার বৃদ্ধি করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা নন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী: মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কর্মকর্তার প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য আরেক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত রোববার কমিশনের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত সপ্তাহে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেন। আর গত রোববার কমিশনের বৈঠকে প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য উপপরিচালক জুলফিকার আলীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পর্যালোচনা প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশনের বৈঠকে সেটা উপস্থাপন করা হবে। দুদক সূত্র জানিয়েছে, ওয়াহিদুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়েই মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার সপক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দুদককে দেখাতে পারেননি। তাই ওয়াহিদুর রহমানের সনদ বাতিলের সুপারিশ করেছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে। ওয়াহিদুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যানও।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment