ি। যার ফলে মানুষ স্বস্তিতে আছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নতি হচ্ছে।’ গতকাল রোববার রাতে জাতীয় সংসদে দশম সংসদের চতুর্থ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি এ সময় আরও বলেন, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র আছে। একদলীয় শাসন থাকলে বিএনপির নেত্রী কী করে বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছেন। তিনি বিএনপির নেত্রীর উদ্দেশে বলেন, দেশে এক ব্যক্তির শাসন চললে মন্ত্রিসভা কী করছে? যার যার কাজ সে সে করছে। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ বক্তব্যে কুমিল্লায় দেওয়া বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যের জবাব দেন। কুমিল্লায় খালেদা জিয়া দেশে এক ব্যক্তির শাসন চলছে বলে অভিযোগ করেন। সংসদে বিরোধী দলের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল সঠিক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সরকার ভুল করলে তা ধরিয়ে দেওয়াই বিরোধী দলের কাজ। বিএনপি সংসদে না থাকাকে মন্দের ভালো বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সংসদে এখন যে পরিবেশ তা বিএনপি থাকার সময় ছিল না। তারা যে ভাষা ব্যবহার করত, জীবনেও সে ভাষা শুনিনি। আজেবাজে ভাষা আর নোংরা কথা দিয়ে সংসদ অপবিত্র হয়নি। সেদিক থেকে জাতি বেঁচে গেছে।’ আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল নয় বলে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল না হলে মুক্তিযুদ্ধ করল কারা? আমরা অবাক হব না, যেদিন শুনব নিজামী, মুজাহিদ কামারুজ্জামানরা মুক্তিযোদ্ধা।’ তিনি বলেন, ‘জেনারেল আসলাম বেগ, যিনি মুক্তিযুদ্ধকালে বেশির ভাগ সময় বাংলাদেশে কাটিয়েছেন, তিনি জিয়াকে চিঠি দিয়ে শাবাশ দিয়েছেন। তাঁর এ চিঠি অনেকবার সংসদে পঠিত হয়েছে। জানজুয়ার মৃত্যুতে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি কোন ব্যথায় ব্যথিত হয়ে শোকবার্তা দিয়েছিলেন, তা আমি বলতে চাই না।’ প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেন, তিনি আলবদর-রাজাকারদের নিয়ে চলছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের দল হয়ে গেল। এর বিচার জনগণ করবে। তিনি বলেন, ‘যে পাকিস্তানকে আমরা পরাজিত করেছি, তারাও এসব কথা বলে না, যা তিনি (খালেদা জিয়া) বলে বেড়াচ্ছেন।’ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর স্পিকার অধিবেশন সমাপ্তিসংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ পড়ে শোনান।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Monday, December 1, 2014
তাঁর ভুলের মাশুল জনগণ দেবে কেন?:প্রথম অালো
ি। যার ফলে মানুষ স্বস্তিতে আছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নতি হচ্ছে।’ গতকাল রোববার রাতে জাতীয় সংসদে দশম সংসদের চতুর্থ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি এ সময় আরও বলেন, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র আছে। একদলীয় শাসন থাকলে বিএনপির নেত্রী কী করে বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছেন। তিনি বিএনপির নেত্রীর উদ্দেশে বলেন, দেশে এক ব্যক্তির শাসন চললে মন্ত্রিসভা কী করছে? যার যার কাজ সে সে করছে। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ বক্তব্যে কুমিল্লায় দেওয়া বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যের জবাব দেন। কুমিল্লায় খালেদা জিয়া দেশে এক ব্যক্তির শাসন চলছে বলে অভিযোগ করেন। সংসদে বিরোধী দলের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল সঠিক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সরকার ভুল করলে তা ধরিয়ে দেওয়াই বিরোধী দলের কাজ। বিএনপি সংসদে না থাকাকে মন্দের ভালো বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সংসদে এখন যে পরিবেশ তা বিএনপি থাকার সময় ছিল না। তারা যে ভাষা ব্যবহার করত, জীবনেও সে ভাষা শুনিনি। আজেবাজে ভাষা আর নোংরা কথা দিয়ে সংসদ অপবিত্র হয়নি। সেদিক থেকে জাতি বেঁচে গেছে।’ আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল নয় বলে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল না হলে মুক্তিযুদ্ধ করল কারা? আমরা অবাক হব না, যেদিন শুনব নিজামী, মুজাহিদ কামারুজ্জামানরা মুক্তিযোদ্ধা।’ তিনি বলেন, ‘জেনারেল আসলাম বেগ, যিনি মুক্তিযুদ্ধকালে বেশির ভাগ সময় বাংলাদেশে কাটিয়েছেন, তিনি জিয়াকে চিঠি দিয়ে শাবাশ দিয়েছেন। তাঁর এ চিঠি অনেকবার সংসদে পঠিত হয়েছে। জানজুয়ার মৃত্যুতে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি কোন ব্যথায় ব্যথিত হয়ে শোকবার্তা দিয়েছিলেন, তা আমি বলতে চাই না।’ প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেন, তিনি আলবদর-রাজাকারদের নিয়ে চলছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের দল হয়ে গেল। এর বিচার জনগণ করবে। তিনি বলেন, ‘যে পাকিস্তানকে আমরা পরাজিত করেছি, তারাও এসব কথা বলে না, যা তিনি (খালেদা জিয়া) বলে বেড়াচ্ছেন।’ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর স্পিকার অধিবেশন সমাপ্তিসংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ পড়ে শোনান।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment