া জানিয়েছেন, যাঁদের শ্বাসনালি পুড়ে গেছে এবং শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে, তাঁদের নিবিড় পরিচর্যা দরকার। এমন রোগীদের জন্য গতকাল সরকার এই ইউনিটে নতুন পাঁচটি বিছানার ব্যবস্থা করেছে। ইউনিটের আইসিইউতে আগে থেকে ১০টি বিছানা আছে। এর পাঁচটিতেই অবরোধ-হরতালে দগ্ধ রোগীরা রয়েছেন। বার্ন ইউনিট সূত্র জানায়, চিকিৎসকেরা সালাউদ্দিন পলাশ (৩৬), নূর আলম (৬০), নিরঞ্জন (১৯), মাসুদ (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (৩৫) আইসিইউতে স্থানান্তরের কথা ভাবছেন। সালাউদ্দিনের শ্বাসনালিসহ ২৫ শতাংশ পোড়া ও বাঁ পা ভাঙা, নূর আলমের শ্বাসনালিসহ ৪৮ শতাংশ, নিরঞ্জনের শ্বাসনালিসহ ৩৫ শতাংশ, মাসুদের ১৭ শতাংশ ও জাহাঙ্গীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসকেরা জানান, শুক্রবার রাতে পেট্রলবোমায় দগ্ধ ২৯ বাসযাত্রীর মধ্যে ২৪ জনের অবস্থা স্থিতিশীল। গতকাল থেকে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট কর্তৃপক্ষ সংবাদকর্মীদের রোগীদের অবস্থা ও চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানাতে সংবাদ ব্রিফিং শুরু করেছে। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে তারা বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকদের নিয়ে একটি, বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারির চিকিৎসক এবং রোগীর স্বজনদের নিয়ে একটি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন² বিভাগের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের নিয়ে আরেকটি কমিটি গঠন করেছে। দগ্ধ রোগীদের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানোর চিন্তা আছে কি না, এ প্রশ্নে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো চিন্তাভাবনা তাঁদের নেই। যেখানে পাঠানো হবে সেখানে দক্ষ জনবল আছে কি না, সেটি বিবেচনা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘যেকোনো সময় জরুরি প্রয়োজনে ১০০ রোগীকে সেবা দেওয়ার মতো প্রস্তুতি আমরা নিয়ে রেখেছি। আমরা শতভাগ চিকিৎসা দিতে প্রস্তুত। তবে কমফোর্ট (আরাম) দিতে পারছি না।’ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন এক সাংবাদিক। জবাবে চিকিৎসকেরা বলেন, দুর্ব্যবহার কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে ভুলবশত এমনটি হয়ে থাকতে পারে। তাঁরা অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের ডাকা টানা অবরোধ ও হরতাল চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে আগুন ও পেট্রলবোমায় গতকাল পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছেন ২১১ জন। এঁদের মধ্যে মারা গেছেন ১৬ জন। দগ্ধদের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৬ জন, চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০ জন ও মারা গেছেন পাঁচজন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৮ জনের মধ্যে চারজন মারা গেছেন, চিকিৎসাধীন রয়েছেন আটজন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসাধীন। বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দগ্ধ নয়জন চিকিৎসা নিয়েছেন।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Monday, January 26, 2015
আরও পাঁচজনকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে:প্রথম অালো
া জানিয়েছেন, যাঁদের শ্বাসনালি পুড়ে গেছে এবং শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে, তাঁদের নিবিড় পরিচর্যা দরকার। এমন রোগীদের জন্য গতকাল সরকার এই ইউনিটে নতুন পাঁচটি বিছানার ব্যবস্থা করেছে। ইউনিটের আইসিইউতে আগে থেকে ১০টি বিছানা আছে। এর পাঁচটিতেই অবরোধ-হরতালে দগ্ধ রোগীরা রয়েছেন। বার্ন ইউনিট সূত্র জানায়, চিকিৎসকেরা সালাউদ্দিন পলাশ (৩৬), নূর আলম (৬০), নিরঞ্জন (১৯), মাসুদ (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (৩৫) আইসিইউতে স্থানান্তরের কথা ভাবছেন। সালাউদ্দিনের শ্বাসনালিসহ ২৫ শতাংশ পোড়া ও বাঁ পা ভাঙা, নূর আলমের শ্বাসনালিসহ ৪৮ শতাংশ, নিরঞ্জনের শ্বাসনালিসহ ৩৫ শতাংশ, মাসুদের ১৭ শতাংশ ও জাহাঙ্গীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসকেরা জানান, শুক্রবার রাতে পেট্রলবোমায় দগ্ধ ২৯ বাসযাত্রীর মধ্যে ২৪ জনের অবস্থা স্থিতিশীল। গতকাল থেকে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট কর্তৃপক্ষ সংবাদকর্মীদের রোগীদের অবস্থা ও চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানাতে সংবাদ ব্রিফিং শুরু করেছে। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে তারা বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকদের নিয়ে একটি, বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারির চিকিৎসক এবং রোগীর স্বজনদের নিয়ে একটি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন² বিভাগের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের নিয়ে আরেকটি কমিটি গঠন করেছে। দগ্ধ রোগীদের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানোর চিন্তা আছে কি না, এ প্রশ্নে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো চিন্তাভাবনা তাঁদের নেই। যেখানে পাঠানো হবে সেখানে দক্ষ জনবল আছে কি না, সেটি বিবেচনা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘যেকোনো সময় জরুরি প্রয়োজনে ১০০ রোগীকে সেবা দেওয়ার মতো প্রস্তুতি আমরা নিয়ে রেখেছি। আমরা শতভাগ চিকিৎসা দিতে প্রস্তুত। তবে কমফোর্ট (আরাম) দিতে পারছি না।’ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন এক সাংবাদিক। জবাবে চিকিৎসকেরা বলেন, দুর্ব্যবহার কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে ভুলবশত এমনটি হয়ে থাকতে পারে। তাঁরা অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের ডাকা টানা অবরোধ ও হরতাল চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে আগুন ও পেট্রলবোমায় গতকাল পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছেন ২১১ জন। এঁদের মধ্যে মারা গেছেন ১৬ জন। দগ্ধদের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৬ জন, চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০ জন ও মারা গেছেন পাঁচজন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৮ জনের মধ্যে চারজন মারা গেছেন, চিকিৎসাধীন রয়েছেন আটজন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসাধীন। বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দগ্ধ নয়জন চিকিৎসা নিয়েছেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment