এ মন্তব্য করলেন। এ বক্তব্য সৌদি আরব ও ইরানের সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত দিল। এর মধ্য দিয়ে প্রধান দুটি শক্তি সুন্নি ও শিয়া তথা সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই দৃশ্যত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রধান জাফারি সৌদি আরব বিষয়ে অতীতের বিবেচনাকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য ইরানের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। জাফারি বলেন, আজ প্রতারক সৌদি আরব ইসরায়েলের পথে হাঁটছে। এ ঘটনা অতীতে দেখা যায়নি। ইসলামি বিপ্লবের বিরোধীরা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ৯ এপ্রিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও সৌদি আরবকে ইসরায়েলের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেছিলেন, গাজায় ইহুদিবাদীরা যা করেছিল আর সৌদি সরকার ইয়েমেনে যা করছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রয়েছে। এটা নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড, এটা গণহত্যা। নিশ্চিতভাবে সৌদি আরবকেও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। জাফারি বলেন, সৌদি আরব যেহেতু বিমান হামলা চালিয়েছে, এখন এ ব্যাপারে সব আপত্তি এক পাশে সরিয়ে রাখা উচিত। ইরানের আধিপত্য ক্রমেই বাড়ছে দাবি করে জাফারি বলেন, সৌদি রাজবংশ পতনের প্রান্তে এসে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনই আমরা ইসলামি বিপ্লবের শক্তি ও বাইরে এর পরিধি বিস্তার লাভ করার বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছি।’ গত রোববার ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির আবদোল্লাহিয়ান বলেন, ইয়েমেনে মানবিক সহায়তা দেওয়া থেকে ইরানকে নিবৃত্ত করার যে সিদ্ধান্ত সৌদি আরব নিয়েছে, এর উত্তর অজানা থাকবে না। এদিকে সামরিক সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গত রোববারও ইয়েমেনে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বিমান হামলা অব্যাহত ছিল। ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদসহ দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগর এডেনে হুতিদের অবস্থানে ওই হামলা চালানো হয়। শিয়া হুতিরা ইয়েমেনের একটি বড় অংশ দখল করে নেওয়ার পর সম্প্রতি দেশটির প্রেসিডেন্ট আবেদরাব্বো মনসুর হাদি রিয়াদে পালিয়ে যান। সৌদি আরবের নেতৃত্বে কয়েকটি সুন্নি আরব দেশের জোট গত ২৬ মার্চ থেকে হুতিদের উৎখাতে বিমান হামলা শুরু করে।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Tuesday, April 28, 2015
সৌদির কঠোর সমালোচনায় ইরানি কমান্ডার:প্রথম অালো
এ মন্তব্য করলেন। এ বক্তব্য সৌদি আরব ও ইরানের সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত দিল। এর মধ্য দিয়ে প্রধান দুটি শক্তি সুন্নি ও শিয়া তথা সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই দৃশ্যত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রধান জাফারি সৌদি আরব বিষয়ে অতীতের বিবেচনাকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য ইরানের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। জাফারি বলেন, আজ প্রতারক সৌদি আরব ইসরায়েলের পথে হাঁটছে। এ ঘটনা অতীতে দেখা যায়নি। ইসলামি বিপ্লবের বিরোধীরা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ৯ এপ্রিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও সৌদি আরবকে ইসরায়েলের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেছিলেন, গাজায় ইহুদিবাদীরা যা করেছিল আর সৌদি সরকার ইয়েমেনে যা করছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রয়েছে। এটা নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড, এটা গণহত্যা। নিশ্চিতভাবে সৌদি আরবকেও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। জাফারি বলেন, সৌদি আরব যেহেতু বিমান হামলা চালিয়েছে, এখন এ ব্যাপারে সব আপত্তি এক পাশে সরিয়ে রাখা উচিত। ইরানের আধিপত্য ক্রমেই বাড়ছে দাবি করে জাফারি বলেন, সৌদি রাজবংশ পতনের প্রান্তে এসে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনই আমরা ইসলামি বিপ্লবের শক্তি ও বাইরে এর পরিধি বিস্তার লাভ করার বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছি।’ গত রোববার ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির আবদোল্লাহিয়ান বলেন, ইয়েমেনে মানবিক সহায়তা দেওয়া থেকে ইরানকে নিবৃত্ত করার যে সিদ্ধান্ত সৌদি আরব নিয়েছে, এর উত্তর অজানা থাকবে না। এদিকে সামরিক সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গত রোববারও ইয়েমেনে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বিমান হামলা অব্যাহত ছিল। ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদসহ দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগর এডেনে হুতিদের অবস্থানে ওই হামলা চালানো হয়। শিয়া হুতিরা ইয়েমেনের একটি বড় অংশ দখল করে নেওয়ার পর সম্প্রতি দেশটির প্রেসিডেন্ট আবেদরাব্বো মনসুর হাদি রিয়াদে পালিয়ে যান। সৌদি আরবের নেতৃত্বে কয়েকটি সুন্নি আরব দেশের জোট গত ২৬ মার্চ থেকে হুতিদের উৎখাতে বিমান হামলা শুরু করে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment