া বা ঘাটতির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় আহরণ এবং ঋণ গ্রহণের সুযোগদান, করপোরেট ঋণ উপকরণের সেকেন্ডারি ট্রেডিং, ঋণমানের অবনতির বিপরীতে দ্রুত রেজুলেশন, বিভিন্ন বাজার ঝুঁকি কভারেজের লক্ষ্যে হেজিং প্রোডাক্টের আশ্রয় গ্রহণ ইত্যাদি কারণ এ আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। গভর্নর বলেন, আর্থিক ব্যবস্থায় সম্ভাব্য ঝুঁকি আবির্ভূত হওয়ার উদ্বেগ ও ক্ষেত্র এখনো আমাদের সামনে রয়েছে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো কোনো সিস্টেমিক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়নি। এমনকি বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার চরম পর্যায়েও এরূপ ঘটনা ঘটেনি। তা সত্ত্বেও সম্ভাব্য এ ঝুঁকি আবির্ভূত হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে সম্ভাব্য নাজুকতা প্রকট আকার ধারণ করবে যদি আমাদের আর্থিক খাত আরো উন্মুক্ত হয় এবং তার সাথে সাথে দেশের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাপক পরিমাণে বৈশ্বিক সঞ্চয় আহরণ করা হয়। তবে আর্থিক খাত আরো উন্মুক্ত হলে যেসব অভিঘাত দেখা দিতে পারে তা মোকাবেলায় ব্যাংলাদেশ ব্যাংক তার সামর্থ্য বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ব্যাংকিং খাতে ঋণ অনিয়মের ব্যাপারে গভর্নর বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ব্যাংকে জালিয়াতি ও গুরুতর অনিয়মের ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধান কার্যক্রম জোরদার হওয়ার ফলেই এসব অনিয়ম উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে করপোরেট সুশাসনে যে ঘাটতি ছিল এ অনিয়মগুলো সেই ইঙ্গিত বহন করে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো শৈথিল্য প্রদর্শন করেনি বা করছে না। অন্য দিকে এসব অনিয়মের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভিশন কৌশলে প্রযুক্তির ব্যবহার ও গুণগত পরিবর্তন এবং ব্যাংকগুলোর সহযোগিতার ফলে ব্যাংকিং খাতের সবলতার সূচকগুলোতে ক্রমান্বয়ে উন্নতির ধারা পরিলক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু এতে আত্মতুষ্টির কিছু নেই। আর্থিক খাতের অভিঘাত সহনক্ষমতা বৃদ্ধি ও আর্থিক মধ্যস্থতার প্রক্রিয়াকে সচল রাখার লক্ষ্যে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ব্যাংকিং খাতের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলার বিষয়ে গভর্নর ব্যাংকারদের উদ্দেশে বলেন, ব্যাংকিং খাতের সম্ভাব্য বিভিন্ন ঝুঁকি ও নাজুকতা বিবেচনায় রেখে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ ব্যাংকিং খাতের ওপর জনগণের আস্থা কোনোভাবেই নষ্ট করা যাবে না। অঙ্কুরেই সম্ভাব্য ঝুঁকির বীজ উপড়ে ফেলাই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সর্বোত্তম পন্থাÑ এ কথাটি আমাদেরও সর্বদাই মনে রাখতে হবে এবং এর আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে যেতে হবে। আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার সর্বাত্মক রেগুলেটরি প্রয়াস অব্যাহত রাখবে। তবে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় যাতে কোনো রকম ত্রুটি বা ঘাটতি না থাকে সে ব্যবস্থা আপনাদেরই নিতে হবে। এ ছাড়া ঋণের আন্ডাররাইটিং, ঋণ বিতরণ ও আদায়, ঋণ শ্রেণীকরণ ও পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মাচারে যাতে কোনো প্রকার ব্যত্যয় না ঘটে সে দিকেও আপনাদের বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Thursday, September 4, 2014
অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা বাংলাদেশ ব্যাংকের:নয়াদিগন্ত
া বা ঘাটতির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় আহরণ এবং ঋণ গ্রহণের সুযোগদান, করপোরেট ঋণ উপকরণের সেকেন্ডারি ট্রেডিং, ঋণমানের অবনতির বিপরীতে দ্রুত রেজুলেশন, বিভিন্ন বাজার ঝুঁকি কভারেজের লক্ষ্যে হেজিং প্রোডাক্টের আশ্রয় গ্রহণ ইত্যাদি কারণ এ আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। গভর্নর বলেন, আর্থিক ব্যবস্থায় সম্ভাব্য ঝুঁকি আবির্ভূত হওয়ার উদ্বেগ ও ক্ষেত্র এখনো আমাদের সামনে রয়েছে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো কোনো সিস্টেমিক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়নি। এমনকি বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার চরম পর্যায়েও এরূপ ঘটনা ঘটেনি। তা সত্ত্বেও সম্ভাব্য এ ঝুঁকি আবির্ভূত হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে সম্ভাব্য নাজুকতা প্রকট আকার ধারণ করবে যদি আমাদের আর্থিক খাত আরো উন্মুক্ত হয় এবং তার সাথে সাথে দেশের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাপক পরিমাণে বৈশ্বিক সঞ্চয় আহরণ করা হয়। তবে আর্থিক খাত আরো উন্মুক্ত হলে যেসব অভিঘাত দেখা দিতে পারে তা মোকাবেলায় ব্যাংলাদেশ ব্যাংক তার সামর্থ্য বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ব্যাংকিং খাতে ঋণ অনিয়মের ব্যাপারে গভর্নর বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ব্যাংকে জালিয়াতি ও গুরুতর অনিয়মের ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধান কার্যক্রম জোরদার হওয়ার ফলেই এসব অনিয়ম উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে করপোরেট সুশাসনে যে ঘাটতি ছিল এ অনিয়মগুলো সেই ইঙ্গিত বহন করে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো শৈথিল্য প্রদর্শন করেনি বা করছে না। অন্য দিকে এসব অনিয়মের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভিশন কৌশলে প্রযুক্তির ব্যবহার ও গুণগত পরিবর্তন এবং ব্যাংকগুলোর সহযোগিতার ফলে ব্যাংকিং খাতের সবলতার সূচকগুলোতে ক্রমান্বয়ে উন্নতির ধারা পরিলক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু এতে আত্মতুষ্টির কিছু নেই। আর্থিক খাতের অভিঘাত সহনক্ষমতা বৃদ্ধি ও আর্থিক মধ্যস্থতার প্রক্রিয়াকে সচল রাখার লক্ষ্যে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ব্যাংকিং খাতের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলার বিষয়ে গভর্নর ব্যাংকারদের উদ্দেশে বলেন, ব্যাংকিং খাতের সম্ভাব্য বিভিন্ন ঝুঁকি ও নাজুকতা বিবেচনায় রেখে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ ব্যাংকিং খাতের ওপর জনগণের আস্থা কোনোভাবেই নষ্ট করা যাবে না। অঙ্কুরেই সম্ভাব্য ঝুঁকির বীজ উপড়ে ফেলাই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সর্বোত্তম পন্থাÑ এ কথাটি আমাদেরও সর্বদাই মনে রাখতে হবে এবং এর আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে যেতে হবে। আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক তার সর্বাত্মক রেগুলেটরি প্রয়াস অব্যাহত রাখবে। তবে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় যাতে কোনো রকম ত্রুটি বা ঘাটতি না থাকে সে ব্যবস্থা আপনাদেরই নিতে হবে। এ ছাড়া ঋণের আন্ডাররাইটিং, ঋণ বিতরণ ও আদায়, ঋণ শ্রেণীকরণ ও পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মাচারে যাতে কোনো প্রকার ব্যত্যয় না ঘটে সে দিকেও আপনাদের বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment