
য়নি বললেই চলে। এতে ব্যাপক লোকসানের আশঙ্কায় পড়েন ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে সরকার মেলার সময় ১০ দিন বাড়ায়। এ ছাড়া মাসের শেষ সময়ে এসে প্রচুর ক্রেতার দেখা মিলছে মেলায়। মেলায় গৃহস্থালি ও ইলেকট্রনিক পণ্যসামগ্রীর স্টলগুলোতে তুলনামূলক বেশি ক্রেতাদের ভিড় করতে দেখা যায়। দেশী-বিদেশী এসব স্টলে হাঁড়ি-পাতিল থেকে শুরু করে ওভেন, টিভি, ফ্রিজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক জিনিসপত্র যাচাই-বাছাই করে কিনেছেন অনেকেই। এ দিকে দেশী-বিদেশী ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটরেও ছিল ক্রেতাদের আকর্ষণ। দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন, যমুনা, ভিশন ছাড়াও বিদেশী ব্র্যান্ড শার্প, সিমেন্স, সিঙ্গার, গোদরেজ, র্যাংগস, এলজি ফ্রিজের প্যাভেলিয়নের ক্রেতা দর্শকদের ভিড় ল করা যায়। তবে বিদেশী পণ্যের চেয়ে দেশী পণ্যের দাম তুলনামূলক কম। একই সাথে মান ভালো হওয়ায় সে দিকেই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন ক্রেতারা। এ েেত্র ওয়ালটন ফ্রিজই এগিয়ে রয়েছে বলেই সরেজমিন মেলা ঘুরে দেখা গেছে। প্রযুক্তির নিত্যনতুন উৎকর্ষের ছোঁয়া স্পর্শ করে রেফ্রিজারেটরেও। এবার তাই নন-ফ্রস্ট ফ্রিজের সাথে পরিচিত হচ্ছেন ক্রেতারা। এ ফ্রিজে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যাতে ফ্রিজের ভেতরে বরফ জমা হয় না। বিদেশী ব্র্যান্ডের পাশাপাশি ওয়ালটনও তৈরি করেছে নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ। তবে এসব ফ্রিজ এখনো স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে না। মেলায় ‘আপকামিং’ হিসেবে প্রায় ১০টি মডেল প্রদর্শন করছে ওয়ালটন। প্যাভেলিয়নের ইনচার্জ আকরামুজ্জামান অপু জানান, এ বছরের জুন-জুলাইলে এগুলো স্থানীয় বাজারে আসবে। তবে এখন এগুলো রফতানি হচ্ছে। তিনি জানান, ওয়ালটনের নিয়মিত মডেলগুলোতে মেলা উপলে দেয়া হচ্ছে বিশেষ ছাড়। যেমন ২০ সিএফটি ডব্লিউ২ডি-৩এফ৫ মডেলটির নিয়মিত মূল্য ৩৯ হাজার ৪০০ টাকা হলেও মেলায় দেয়া হচ্ছে ৩৬ হাজার ৪০০ টাকায়। ১৫ সিএফটি ফ্রিজের দাম ৩৩ হাজার ৪০০ টাকার স্থলে নেয়া হচ্ছে ৩০ হাজার ৯০০ টাকা। সবচেয়ে ছোট ফ্রিজ ৯ সিএফটি ২২ হাজার ৬০০ টাকার পরিবর্তে মেলায় বিক্রি হচ্ছে ২০ হাজার ৯০০ টাকায়। মেলায় ৩৬টি মডেল প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে আকরামুজ্জামান অপু জানান। এ দিকে সিঙ্গারের শোরুমে বিক্রি হচ্ছে সিঙ্গার ব্র্যান্ডের পাশাপাশি গোদরেজ ও সিমেন্স ফ্রিজ। সিমেন্সের নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ ২৯১ লিটারের দু’টি মডেল ৫ শতাংশ ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ হাজার ২৭৫ টাকা ও ৭৮ হাজার ৫৭৫ টাকায়। ৪০১ লিটারের একটি মডেল বিক্রি হচ্ছে একই ছাড়ে ৯৪ হাজার ৫২৬ টাকায়। গোদরেজের ৩৩০ লিটারের দাম পড়ছে ৪৭ হাজার ৫০০ টাকায়, ২৮৩ লিটার ৪২ হাজার ৭৫০ টাকা এবং ২২৫ লিটারের দাম পড়ছে ৩৮ হাজার টাকা। এ ব্র্যান্ডেও পাঁচ শতাংশ ছাড়ের পাশাপাশি সিঙ্গারের সব পণ্য ফ্রি হোমডেলিভারি দেয়া হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানান।
No comments:
Post a Comment