। বিতর্কিত শিক্ষা আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করার সময় সম্প্রতি দুই দফা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মধ্যে প্রথম ঘটনা ঘটে ৫ মার্চ, ইয়াঙ্গুনে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে মধ্যাঞ্চলের লেতপাদান শহরে। মাস খানেক আগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল করে ইয়াঙ্গুনে আসার পথে সেখানেই একদল শিক্ষার্থীকে কিছুদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। গত মঙ্গলবার অবরুদ্ধ শিক্ষার্থীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। স্বজনেরা জানিয়েছেন, আটক ২০ মেয়ে ও ৪০ ছেলেশিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে জড়িত থাকার দায়ে পাঁচ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ২৫ মার্চ তাঁদের আবার শুনানির জন্য আদালতে তোলা হবে। মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছে, এই প্রতিবাদের ‘মূল পরিকল্পনাকারীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নিয়মিত ছাত্রদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে তাঁদের অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মিয়ানমারের শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েক মাস ধরে শিক্ষা আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা এ-সংক্রান্ত নতুন একটি আইনে পরিবর্তন আনার দাবি করছেন। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে, স্কুলব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ, ছাত্রসংগঠনের অনুমতি দেওয়া এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতিগত সংখ্যালঘুদের ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা। দেশটির গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের নিন্দা করেছে। দলটির মুখপাত্র নিয়ান উইন গতকাল বলেন, ‘কোনো আইন এ ধরনের মারধর বা দমন-পীড়ন সমর্থন করে না।’ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংস আচরণের নিন্দা করেছে। দীর্ঘদিনের প্রত্যক্ষ সামরিক শাসনের বদলে ২০১১ সাল থেকে মিয়ানমারে সেনাসমর্থিত একটি ছদ্ম বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। এ সরকারের আমলে রাজবন্দীদের মুক্তিসহ বেশ কিছু গণতান্ত্রিক সংস্কার হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ছাত্রদের ওপর চলতি দমন-পীড়ন অনেককে সামরিক শাসনের কালো দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Thursday, March 12, 2015
মিয়ানমারে আটক শিক্ষার্থীদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন:প্রথম অালো
। বিতর্কিত শিক্ষা আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করার সময় সম্প্রতি দুই দফা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মধ্যে প্রথম ঘটনা ঘটে ৫ মার্চ, ইয়াঙ্গুনে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে মধ্যাঞ্চলের লেতপাদান শহরে। মাস খানেক আগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল করে ইয়াঙ্গুনে আসার পথে সেখানেই একদল শিক্ষার্থীকে কিছুদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। গত মঙ্গলবার অবরুদ্ধ শিক্ষার্থীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। স্বজনেরা জানিয়েছেন, আটক ২০ মেয়ে ও ৪০ ছেলেশিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে জড়িত থাকার দায়ে পাঁচ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ২৫ মার্চ তাঁদের আবার শুনানির জন্য আদালতে তোলা হবে। মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছে, এই প্রতিবাদের ‘মূল পরিকল্পনাকারীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নিয়মিত ছাত্রদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে তাঁদের অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মিয়ানমারের শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েক মাস ধরে শিক্ষা আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা এ-সংক্রান্ত নতুন একটি আইনে পরিবর্তন আনার দাবি করছেন। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে, স্কুলব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ, ছাত্রসংগঠনের অনুমতি দেওয়া এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতিগত সংখ্যালঘুদের ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা। দেশটির গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের নিন্দা করেছে। দলটির মুখপাত্র নিয়ান উইন গতকাল বলেন, ‘কোনো আইন এ ধরনের মারধর বা দমন-পীড়ন সমর্থন করে না।’ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংস আচরণের নিন্দা করেছে। দীর্ঘদিনের প্রত্যক্ষ সামরিক শাসনের বদলে ২০১১ সাল থেকে মিয়ানমারে সেনাসমর্থিত একটি ছদ্ম বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। এ সরকারের আমলে রাজবন্দীদের মুক্তিসহ বেশ কিছু গণতান্ত্রিক সংস্কার হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ছাত্রদের ওপর চলতি দমন-পীড়ন অনেককে সামরিক শাসনের কালো দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment