দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর এই সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে সংবিধান সংশোধনের প্রতিবাদে জোটের প থেকে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন নজরুল ইসলাম খান। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছেÑ আজ সারা দেশের জেলা ও মহানগরে এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে জোট। তবে ঢাকায় কর্মসূচির স্থান এবং সময় পরে জানানো হবে। সংবাদ সম্মেলনে শরিক দলের নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী, খেলাফত মজলিসের ড. আহমদ আব্দুল কাদের, এলডিপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, ন্যাপের এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, কল্যাণ পার্টির এম এম আমিনুর রহমান, এনডিপির আলমগীর মজুমদার, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ইসলামিক পার্টির এম এ রশীদ প্রধান, লেবার পার্টির হামদুল্লাহ আল মেহেদী, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আযহারুল ইসলাম, সাম্যবাদী দলের (একাংশ) সম্পাদক সাঈদ আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি তৈয়ব এবং বিএনপি নেতাদের মধ্যে অর্থসম্পাদক আবদুস সালাম, সহদফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবীব উন নবী খান সোহেল, আসাদুল করীম শাহিন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, মীর সরফত আলী সপু, হেলেন জেরিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্মম আঘাতে গণতন্ত্র নামক প্রতিষ্ঠানটি তবিত হয়েছে। আর বর্তমানে তারা গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠানকে গলাটিপে মেরে ফেলছে। আমরা মনে করি, বিচার বিভাগের ওপর যদি শাসন বিভাগের কর্তৃত্ব স্থাপিত হয়, তাহলে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা দেশের মঙ্গল চায় না বলেই গণবিরোধী কালাকানুন তৈরি করে নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপির এ নেতা বলেন, এ আইন কার্যকর হলে বিচার বিভাগের ওপর মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের প্রধান নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর হস্তপে করার শতভাগ মতা নিশ্চিত হবে। এর ফলে দেশের আদালতগুলোতে বিচারক নিয়োগ ও অপসারণ দু’টিই থাকবে নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সংসদ অনির্বাচিত ও আগন্তুক দ্বারা গঠিত। এই সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাই তাদের হাতে বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা দেয়া হলে মূলত বিচার বিভাগের ক্ষমতা আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। নজরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন করে আজীবন ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে এবং বিরোধী দলসহ জনগণকে প্রতিকূলে নিতেই এ আইন করা হচ্ছে। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার নিরিখে নয়, বরং এক দিকে প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের বিচারপতিরা যেমন নিয়োগ পাবেন, তেমনি যোগ্য ও নিরপেক্ষদের অপসারিত হতে হবে। নজরুল ইসলাম বলেন, অভিশংসন আইন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং তারা সরকারের এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। জনগণকে সাথে নিয়ে ২০ দলীয় জোট বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার কুটিল চক্রান্ত রুখে দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ আইন সংশোধনের জন্য কোনো শ্রেণী বা পেশা থেকে দাবি ওঠেনি। তারপরও সরকার এটি করতে যাচ্ছে।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Wednesday, September 10, 2014
২ দিনের প্রতিবাদ কর্মসূচি ২০ দলের:নয়াদিগন্ত
দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর এই সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে সংবিধান সংশোধনের প্রতিবাদে জোটের প থেকে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন নজরুল ইসলাম খান। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছেÑ আজ সারা দেশের জেলা ও মহানগরে এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে জোট। তবে ঢাকায় কর্মসূচির স্থান এবং সময় পরে জানানো হবে। সংবাদ সম্মেলনে শরিক দলের নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী, খেলাফত মজলিসের ড. আহমদ আব্দুল কাদের, এলডিপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, ন্যাপের এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, কল্যাণ পার্টির এম এম আমিনুর রহমান, এনডিপির আলমগীর মজুমদার, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ইসলামিক পার্টির এম এ রশীদ প্রধান, লেবার পার্টির হামদুল্লাহ আল মেহেদী, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আযহারুল ইসলাম, সাম্যবাদী দলের (একাংশ) সম্পাদক সাঈদ আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি তৈয়ব এবং বিএনপি নেতাদের মধ্যে অর্থসম্পাদক আবদুস সালাম, সহদফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবীব উন নবী খান সোহেল, আসাদুল করীম শাহিন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, মীর সরফত আলী সপু, হেলেন জেরিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্মম আঘাতে গণতন্ত্র নামক প্রতিষ্ঠানটি তবিত হয়েছে। আর বর্তমানে তারা গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠানকে গলাটিপে মেরে ফেলছে। আমরা মনে করি, বিচার বিভাগের ওপর যদি শাসন বিভাগের কর্তৃত্ব স্থাপিত হয়, তাহলে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা দেশের মঙ্গল চায় না বলেই গণবিরোধী কালাকানুন তৈরি করে নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপির এ নেতা বলেন, এ আইন কার্যকর হলে বিচার বিভাগের ওপর মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের প্রধান নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর হস্তপে করার শতভাগ মতা নিশ্চিত হবে। এর ফলে দেশের আদালতগুলোতে বিচারক নিয়োগ ও অপসারণ দু’টিই থাকবে নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সংসদ অনির্বাচিত ও আগন্তুক দ্বারা গঠিত। এই সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাই তাদের হাতে বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা দেয়া হলে মূলত বিচার বিভাগের ক্ষমতা আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। নজরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন করে আজীবন ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে এবং বিরোধী দলসহ জনগণকে প্রতিকূলে নিতেই এ আইন করা হচ্ছে। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার নিরিখে নয়, বরং এক দিকে প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের বিচারপতিরা যেমন নিয়োগ পাবেন, তেমনি যোগ্য ও নিরপেক্ষদের অপসারিত হতে হবে। নজরুল ইসলাম বলেন, অভিশংসন আইন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং তারা সরকারের এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। জনগণকে সাথে নিয়ে ২০ দলীয় জোট বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার কুটিল চক্রান্ত রুখে দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ আইন সংশোধনের জন্য কোনো শ্রেণী বা পেশা থেকে দাবি ওঠেনি। তারপরও সরকার এটি করতে যাচ্ছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment