ি জানান, খেলাপি ঋণ আদায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তদারকির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক একটি পৃথক টাস্কফোর্স সেল গঠন করেছে। এর মাধ্যমে অর্থঋণ আদালতসহ বিভিন্ন আদালতে দায়েরকৃত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। আদালতের বাইরে বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে শ্রেণিকৃত ঋণের বিপরীতে আদায় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিসগুলো খেলাপি ঋণ আদায় কার্যক্রমকে আরো জোরদার করার জন্য ব্যাংকগুলোর সাথে প্রতি মাসে সভার আয়োজন করছে। মো: শওকত চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী আমদানিপর্যায়ে আদায়যোগ্য বকেয়া করের পরিমাণ তিন হাজার ১১০ কোটি টাকা। তবে রফতানি শুল্ক বাবদ কোনো অনাদায়ী বা পাওনা নেই। আপিল কমিশন, আপিলাত ট্রাইবুন্যাল, হাইকোর্ট এবং আপিলেট ডিভিশনে অনিষ্পন্ন থাকাই মূলত এসব রাজস্ব অনাদায়ের কারণ বলেও জানান মন্ত্রী। এম এ হান্নানের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ২৬৯। এর মধ্যে ২০টি কোম্পানি লোকসানে আছে ও তিনটি কোম্পানি বর্তমানে উৎপাদনে নেই। শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য যেসব কোম্পানি একেবারেই উৎপাদনে নেই সেসব কোম্পানি বিলুপ্ত করে শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ ফেরত দেয়ার বিষয়গুলো কোম্পানি আইন-১৯৯৪ সংশ্লিষ্ট। কোম্পানি বিলুপ্তির বিষয়টি কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী আদালতের আদেশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্যানুযায়ী উৎপাদনে না থাকা কোম্পানিগুলো হলো, নর্দার্ন জুট, মডার্ন ডাইং ও বাংলাদেশ সার্ভিসেস লি.। লোকসানে থাকা ২০ কোম্পানি হলো আইসিবি ইসলামি ব্যাংক, শ্যামপুর সুগার মিলস, জিল বাংলা সুগার মিলস, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, জুট স্পিনার্স, ফাইস্ট ফাইন্যান্স, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, বেক্সিমকো সিনথেটিক, সোনাগাঁও টেক্সটাইল, কেএন্ডকিউ, নর্দার্ন জুট, জেমিনি সি ফুড, দুলা মিয়া কটন, শাইন পুকুর সিরামিকস, ইমাম বাটন, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ ল্যাম্পস, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, মেঘনা পেট ও বিডি অটোকারস। হাজী মো: সেলিমের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, বিগত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ বাবদ সর্বমোট নয় হাজার ৭৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে। এর মধ্যে আসল বাবদ আট হাজার ১৮৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং ঋণের সুদ বাবদ এক হাজার ৫৭১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। চলতি বছর ৩০ জুন পর্যন্ত মোট অপরিশোধিত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এক লাখ ৮৩ হাজার ৭৮৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশ ওয়ারি বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ৫৭ হাজার ৪৬৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, চীন দুই হাজার ৫৫৫ কোটি ৫৮ লাখ, আইডিএ (বিশ্বব্যাংক) ৯৪ হাজার ৪৫০ কোটি ২৪ লাখ টাকা, ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) এক হাজার ৭৯৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা, ডেনমার্ক ৯১২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, জাপান ১৭ হাজার ৩০০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, ভারত এক হাজার ৩২৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, দক্ষিণ কোরিয়া দুই হাজার ৪৬৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা, কুয়েত এক হাজার ১১৬ কোটি ৯ লাখ টাকা, ইফাদ দুই হাজার ৬৭০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এক হাজার ৭১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Thursday, September 18, 2014
দেশে ঋণখেলাপি প্রায় দেড় লাখ : সংসদে অর্থমন্ত্রী:নয়াদিগন্ত
ি জানান, খেলাপি ঋণ আদায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তদারকির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক একটি পৃথক টাস্কফোর্স সেল গঠন করেছে। এর মাধ্যমে অর্থঋণ আদালতসহ বিভিন্ন আদালতে দায়েরকৃত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। আদালতের বাইরে বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে শ্রেণিকৃত ঋণের বিপরীতে আদায় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিসগুলো খেলাপি ঋণ আদায় কার্যক্রমকে আরো জোরদার করার জন্য ব্যাংকগুলোর সাথে প্রতি মাসে সভার আয়োজন করছে। মো: শওকত চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী আমদানিপর্যায়ে আদায়যোগ্য বকেয়া করের পরিমাণ তিন হাজার ১১০ কোটি টাকা। তবে রফতানি শুল্ক বাবদ কোনো অনাদায়ী বা পাওনা নেই। আপিল কমিশন, আপিলাত ট্রাইবুন্যাল, হাইকোর্ট এবং আপিলেট ডিভিশনে অনিষ্পন্ন থাকাই মূলত এসব রাজস্ব অনাদায়ের কারণ বলেও জানান মন্ত্রী। এম এ হান্নানের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ২৬৯। এর মধ্যে ২০টি কোম্পানি লোকসানে আছে ও তিনটি কোম্পানি বর্তমানে উৎপাদনে নেই। শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য যেসব কোম্পানি একেবারেই উৎপাদনে নেই সেসব কোম্পানি বিলুপ্ত করে শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ ফেরত দেয়ার বিষয়গুলো কোম্পানি আইন-১৯৯৪ সংশ্লিষ্ট। কোম্পানি বিলুপ্তির বিষয়টি কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী আদালতের আদেশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্যানুযায়ী উৎপাদনে না থাকা কোম্পানিগুলো হলো, নর্দার্ন জুট, মডার্ন ডাইং ও বাংলাদেশ সার্ভিসেস লি.। লোকসানে থাকা ২০ কোম্পানি হলো আইসিবি ইসলামি ব্যাংক, শ্যামপুর সুগার মিলস, জিল বাংলা সুগার মিলস, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, জুট স্পিনার্স, ফাইস্ট ফাইন্যান্স, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, বেক্সিমকো সিনথেটিক, সোনাগাঁও টেক্সটাইল, কেএন্ডকিউ, নর্দার্ন জুট, জেমিনি সি ফুড, দুলা মিয়া কটন, শাইন পুকুর সিরামিকস, ইমাম বাটন, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ ল্যাম্পস, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, মেঘনা পেট ও বিডি অটোকারস। হাজী মো: সেলিমের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, বিগত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ বাবদ সর্বমোট নয় হাজার ৭৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে। এর মধ্যে আসল বাবদ আট হাজার ১৮৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং ঋণের সুদ বাবদ এক হাজার ৫৭১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। চলতি বছর ৩০ জুন পর্যন্ত মোট অপরিশোধিত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এক লাখ ৮৩ হাজার ৭৮৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশ ওয়ারি বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ৫৭ হাজার ৪৬৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, চীন দুই হাজার ৫৫৫ কোটি ৫৮ লাখ, আইডিএ (বিশ্বব্যাংক) ৯৪ হাজার ৪৫০ কোটি ২৪ লাখ টাকা, ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) এক হাজার ৭৯৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা, ডেনমার্ক ৯১২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, জাপান ১৭ হাজার ৩০০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, ভারত এক হাজার ৩২৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, দক্ষিণ কোরিয়া দুই হাজার ৪৬৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা, কুয়েত এক হাজার ১১৬ কোটি ৯ লাখ টাকা, ইফাদ দুই হাজার ৬৭০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এক হাজার ৭১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment