রলেন। তখন বাসের সুপারভাইজারের আসনে বসা এক যুবককে বলতে শুনলাম, দুর্ঘটনাস্থল পার হওয়ার সময় আমাদের বাসটি দুর্ঘটনায় হতাহতদের অমানবিকভাবে মাড়িয়ে এসেছে।’ এ ভাষ্য নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) আতিয়ার রহমানের। গত সোমবার নাটোরের বড়াইগ্রামে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের পরপরই হতাহতদের ওপর দিয়ে হানিফ পরিবহনের একটি বাস চলে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। হানিফের ওই বাসের যাত্রী ছিলেন তিনি। ৩৬ জন ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। নাটোরে আতিয়ার রহমানের সরকারি বাসভবনে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। আতিয়ার রহমান জানান, হানিফ পরিবহনের বাসটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে একটানে নাটোর বাইপাসের পূর্ব প্রান্তে এসে তাঁকে নামিয়ে দিয়ে রাজশাহী চলে যায়। এডিসি জানান, ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার গাড়িতে আই-৫ নম্বর আসনে তিনি যাত্রী হিসেবে ওঠেন। গাড়ির নিবন্ধন নম্বর ছিল সম্ভবত ১৫৭৫। কোচ নম্বর ৭৪। বাসটি ছাড়ার পর থেকে খুব দ্রুতগতিতে যাচ্ছিল। চালককে অভিজ্ঞ মনে হওয়ায় যাত্রীরা তাঁকে বাধাও দিচ্ছিলেন না। দুর্ঘটনাস্থল পার হওয়ার মুহূর্ত স্মরণ করে এডিসি বলেন, সে এক ভয়াবহ মুহূর্ত। ভয়ে শরীর ঠান্ডা হয়ে আসছিল। তিনি জানালেন, ওই দুর্ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ছাড়া আর কারও কাছে ওই ঘটনার কথা বলেননি। তদন্ত কমিটির কাছে কেন বললেন জানতে চাইলে এডিসি বলেন, দেখলাম, আমি জবানবন্দি না দিলে সত্যটা হয়তো কেউ জানতেই পারবে না। আর চালক ও সহকারীদের তো শনাক্ত করাই হয়নি। হতাহতদের ওপর দিয়ে বাস চালিয়ে যাওয়ার কথা তাৎক্ষণিক পুলিশ প্রশাসনকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি? জবাবে এডিসি বলেন, ঘটনার পর থেকে নাটোর বাইপাসে নামা পর্যন্ত নিজের জীবনের কথা ছাড়া আর অন্য কিছুই ভাবতে পারিনি। পরে তদন্ত কমিটিকে সব বলেছি। হতাহত ব্যক্তিদের মাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে হানিফ পরিবহনের স্বত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন গত মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা মিথ্যা কথা। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Saturday, October 25, 2014
‘বাসের সবাই বাকশক্তি হারিয়ে ফেললাম’:প্রথম অালো
রলেন। তখন বাসের সুপারভাইজারের আসনে বসা এক যুবককে বলতে শুনলাম, দুর্ঘটনাস্থল পার হওয়ার সময় আমাদের বাসটি দুর্ঘটনায় হতাহতদের অমানবিকভাবে মাড়িয়ে এসেছে।’ এ ভাষ্য নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) আতিয়ার রহমানের। গত সোমবার নাটোরের বড়াইগ্রামে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের পরপরই হতাহতদের ওপর দিয়ে হানিফ পরিবহনের একটি বাস চলে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। হানিফের ওই বাসের যাত্রী ছিলেন তিনি। ৩৬ জন ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। নাটোরে আতিয়ার রহমানের সরকারি বাসভবনে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। আতিয়ার রহমান জানান, হানিফ পরিবহনের বাসটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে একটানে নাটোর বাইপাসের পূর্ব প্রান্তে এসে তাঁকে নামিয়ে দিয়ে রাজশাহী চলে যায়। এডিসি জানান, ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার গাড়িতে আই-৫ নম্বর আসনে তিনি যাত্রী হিসেবে ওঠেন। গাড়ির নিবন্ধন নম্বর ছিল সম্ভবত ১৫৭৫। কোচ নম্বর ৭৪। বাসটি ছাড়ার পর থেকে খুব দ্রুতগতিতে যাচ্ছিল। চালককে অভিজ্ঞ মনে হওয়ায় যাত্রীরা তাঁকে বাধাও দিচ্ছিলেন না। দুর্ঘটনাস্থল পার হওয়ার মুহূর্ত স্মরণ করে এডিসি বলেন, সে এক ভয়াবহ মুহূর্ত। ভয়ে শরীর ঠান্ডা হয়ে আসছিল। তিনি জানালেন, ওই দুর্ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ছাড়া আর কারও কাছে ওই ঘটনার কথা বলেননি। তদন্ত কমিটির কাছে কেন বললেন জানতে চাইলে এডিসি বলেন, দেখলাম, আমি জবানবন্দি না দিলে সত্যটা হয়তো কেউ জানতেই পারবে না। আর চালক ও সহকারীদের তো শনাক্ত করাই হয়নি। হতাহতদের ওপর দিয়ে বাস চালিয়ে যাওয়ার কথা তাৎক্ষণিক পুলিশ প্রশাসনকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি? জবাবে এডিসি বলেন, ঘটনার পর থেকে নাটোর বাইপাসে নামা পর্যন্ত নিজের জীবনের কথা ছাড়া আর অন্য কিছুই ভাবতে পারিনি। পরে তদন্ত কমিটিকে সব বলেছি। হতাহত ব্যক্তিদের মাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে হানিফ পরিবহনের স্বত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন গত মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা মিথ্যা কথা। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment