টেনকে আর ভেতরে ঢুকতেই দেননি। তবে পাইলট আন্ড্রিয়াস লুবিৎসের সঙ্গে জানামতে সন্ত্রাসবাদের কোন সম্পর্ক নেই বলেই জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। দুর্ঘটনার পর প্রথমে সন্ত্রাসবাদের আশঙ্কা অস্বীকার করা হলেও এ তথ্যের পর সেই প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে। তবে পাইলট কেন এ কাজ করে থাকতে পারেন তদন্তকারীরা তা নিয়ে নিশ্চিত নন। প্রাথমিকভাবে তারা আত্মহত্যার সম্ভাবনাও নাকচ করে দিয়েছেন। তদন্তকারীরা গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, বিধ্বস্ত হওয়ার স্থান থেকে উড়োজাহাজটির ককপিটের (পাইলটের বসার অংশ) শব্দের যে রেকর্ডিং উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে ইঙ্গিত রয়েছে, ককপিটের একটি আসনকে পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। এরপর দরজা একবার খুলে তা আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও বলেছে, ‘ওই ঘটনার পর থেকে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত আর কোনো কথোপকথন শোনা যায়নি।’ এ ছাড়া বিধ্বস্ত হওয়ার আগমুহূর্তে উড়োজাহাজটি যখন মাটির একদম কাছাকাছি চলে আসে, সে বিষয়ে একটি সংকেতও শোনা গেছে। কর্তৃপক্ষ আগে বলেছিল, এ দুর্ঘটনার কারণের উপযুক্ত কোনো ব্যাখ্যা তাদের কাছে নেই। উড়োজাহাজটিতে কোনো ত্রুটি ছিল না। মধ্য আকাশেও বিস্ফোরণ ঘটেনি। জার্মানির জাতীয় বিমান পরিচালনা সংস্থা লুফথানসার সহযোগী সংস্থা জার্মানউইংসের এ৩২০ এয়ারবাসটি গত মঙ্গলবার স্পেন থেকে জার্মানি যাওয়ার পথে আল্পস পর্বতমালার ফরাসি অংশে বিধ্বস্ত হয়। এতে এর ১৫০ জন আরোহীর সবার মৃত্যু হয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে উড়োজাহাজটি টানা আট মিনিট ধরে নিচের দিকে নামতে থাকে। ওই সূত্রটি জানিয়েছে, ককপিটের রেকর্ডিংয়ে স্পেনের বার্সেলোনা শহর থেকে যাত্রা শুরুর সময় দুই পাইলটকে জার্মান ভাষায় স্বাভাবিক স্বরে কথা বলতে শোনা গেছে। মার্কিন প্রভাবশালী পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস তদন্তে যুক্ত একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ককপিটের কথোপকথন ও অন্যান্য শব্দ সংরক্ষণকারী যন্ত্র ‘ব্ল্যাকবক্স’-এ ধারণ করা তথ্যে ইঙ্গিত মিলেছে, একজন পাইলট দরজায় সজোরে আঘাত করে ককপিটের ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করলেও তাতে সফল হননি। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বাইরে থাকা ওই ব্যক্তি প্রথমে দরজায় মৃদু আঘাত করেন। তবে কোনো সাড়া পাননি। এরপর তিনি সজোরে আঘাত করেন; তাতেও কোনো কাজ হয়নি। কোনো সাড়াই তিনি পাননি।’ এর আগে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাশ্রয়ী টিকিটের বিমান সংস্থা জার্মানউইংসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের হাতে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ মারফত প্রাপ্ত এমন কোনো তথ্য নেই, যাতে করে এ ধরনের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়।’ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক বিমান ছিনতাই করে ভয়াবহ হামলার ঘটনার পর যে শক্তিশালী নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার আওতায় ককপিটের দরজা খোলার অনুমতি কেবল এর ভেতর থেকেই আসবে এবং তা দেবেন কেবল পাইলট। একজন বিশ্লেষক বলেছেন, ‘পাহাড়ের চূড়াময় এলাকার মধ্যে নেমে গিয়েও যদি পাইলটরা উড়োজাহাজটিকে না থামানোর চেষ্টা করেন, তাহলে বুঝতে হবে, তাঁরা হয় অচেতন বা মৃত ছিলেন, না হয় মারা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।’
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Friday, March 27, 2015
পাইলটই উড়োজাহাজটিকে পাহাড়ে আছড়ে ফেলেন:প্রথম অালো
টেনকে আর ভেতরে ঢুকতেই দেননি। তবে পাইলট আন্ড্রিয়াস লুবিৎসের সঙ্গে জানামতে সন্ত্রাসবাদের কোন সম্পর্ক নেই বলেই জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। দুর্ঘটনার পর প্রথমে সন্ত্রাসবাদের আশঙ্কা অস্বীকার করা হলেও এ তথ্যের পর সেই প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে। তবে পাইলট কেন এ কাজ করে থাকতে পারেন তদন্তকারীরা তা নিয়ে নিশ্চিত নন। প্রাথমিকভাবে তারা আত্মহত্যার সম্ভাবনাও নাকচ করে দিয়েছেন। তদন্তকারীরা গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, বিধ্বস্ত হওয়ার স্থান থেকে উড়োজাহাজটির ককপিটের (পাইলটের বসার অংশ) শব্দের যে রেকর্ডিং উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে ইঙ্গিত রয়েছে, ককপিটের একটি আসনকে পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। এরপর দরজা একবার খুলে তা আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও বলেছে, ‘ওই ঘটনার পর থেকে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত আর কোনো কথোপকথন শোনা যায়নি।’ এ ছাড়া বিধ্বস্ত হওয়ার আগমুহূর্তে উড়োজাহাজটি যখন মাটির একদম কাছাকাছি চলে আসে, সে বিষয়ে একটি সংকেতও শোনা গেছে। কর্তৃপক্ষ আগে বলেছিল, এ দুর্ঘটনার কারণের উপযুক্ত কোনো ব্যাখ্যা তাদের কাছে নেই। উড়োজাহাজটিতে কোনো ত্রুটি ছিল না। মধ্য আকাশেও বিস্ফোরণ ঘটেনি। জার্মানির জাতীয় বিমান পরিচালনা সংস্থা লুফথানসার সহযোগী সংস্থা জার্মানউইংসের এ৩২০ এয়ারবাসটি গত মঙ্গলবার স্পেন থেকে জার্মানি যাওয়ার পথে আল্পস পর্বতমালার ফরাসি অংশে বিধ্বস্ত হয়। এতে এর ১৫০ জন আরোহীর সবার মৃত্যু হয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে উড়োজাহাজটি টানা আট মিনিট ধরে নিচের দিকে নামতে থাকে। ওই সূত্রটি জানিয়েছে, ককপিটের রেকর্ডিংয়ে স্পেনের বার্সেলোনা শহর থেকে যাত্রা শুরুর সময় দুই পাইলটকে জার্মান ভাষায় স্বাভাবিক স্বরে কথা বলতে শোনা গেছে। মার্কিন প্রভাবশালী পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস তদন্তে যুক্ত একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ককপিটের কথোপকথন ও অন্যান্য শব্দ সংরক্ষণকারী যন্ত্র ‘ব্ল্যাকবক্স’-এ ধারণ করা তথ্যে ইঙ্গিত মিলেছে, একজন পাইলট দরজায় সজোরে আঘাত করে ককপিটের ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করলেও তাতে সফল হননি। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বাইরে থাকা ওই ব্যক্তি প্রথমে দরজায় মৃদু আঘাত করেন। তবে কোনো সাড়া পাননি। এরপর তিনি সজোরে আঘাত করেন; তাতেও কোনো কাজ হয়নি। কোনো সাড়াই তিনি পাননি।’ এর আগে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাশ্রয়ী টিকিটের বিমান সংস্থা জার্মানউইংসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের হাতে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ মারফত প্রাপ্ত এমন কোনো তথ্য নেই, যাতে করে এ ধরনের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়।’ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক বিমান ছিনতাই করে ভয়াবহ হামলার ঘটনার পর যে শক্তিশালী নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার আওতায় ককপিটের দরজা খোলার অনুমতি কেবল এর ভেতর থেকেই আসবে এবং তা দেবেন কেবল পাইলট। একজন বিশ্লেষক বলেছেন, ‘পাহাড়ের চূড়াময় এলাকার মধ্যে নেমে গিয়েও যদি পাইলটরা উড়োজাহাজটিকে না থামানোর চেষ্টা করেন, তাহলে বুঝতে হবে, তাঁরা হয় অচেতন বা মৃত ছিলেন, না হয় মারা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।’
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment