্যাপ্ত স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের খুবই অভাব। আর এ কারণেই কলেরা ও আমাশয়ের মতো রোগসহ পানিবাহিত নানা অসুখ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ডিইসির একজন মুখপাত্র নেপালে আরও বেশি ত্রাণসহায়তা পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, তাঁরা ইতিমধ্যে ভূমিকম্প-দুর্গত মানুষের মধ্যে ডায়রিয়া ও বুকের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আভাস পাচ্ছেন। ওই মুখপাত্র জানান, নেপালে এভাবে কলেরা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নজিরবিহীন নয়। গত বছর দেশটিতে অন্তত ৬০০ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। আর ২০০৯ সালে আক্রান্ত হয়েছিল তিন লাখের বেশি মানুষ। ব্রিটিশ রেডক্রসের স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রধান গ্লিনিস ব্রুকস বলেন, এমন দুর্যোগে পানি ও শৌচাগার ব্যবহারের বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। বিপর্যস্ত পানি সরবরাহব্যবস্থা ঠিক করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন দাতা সংস্থার উচিত নেপাল সরকারকে সহায়তা দেওয়া। নেপালের জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাকেন্দ্র গতকাল জানায়, দেশটিতে ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা ৭ হাজার ৫৫৭-তে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ১৪ হাজার ৫৩৬ জন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী সরবরাহে ধীর গতির অভিযোগ রয়েছে। গতকাল নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সেই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা গেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছেও ত্রাণ পৌঁছেছে। সরকার জানিয়েছে, ত্রাণসহায়তা কার্যক্রমে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি সেনা ও পুলিশ সদস্য অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের সহায়তা দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া উদ্ধারকর্মীদের অন্তত ১০০টি দল। নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লক্ষ্মী প্রসাদ ধাকাল বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। কারণ, প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যেও ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সরকার সবার কাছে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৫ এপ্রিল নেপালে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। এতে রাজধানী কাঠমান্ডুর বড় অংশসহ অনেক এলাকা বিধ্বস্ত হয়। অন্তত ২০টি দেশের উদ্ধারকর্মীরা সেখানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন।
Headlines from most popular newspapers of Bangladesh. বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংবাদ শিরোনামগুলো এক নজরে দেখে নিন।
Wednesday, May 6, 2015
নেপালে কলেরা-আমাশয় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা:প্রথম অালো
্যাপ্ত স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগারের খুবই অভাব। আর এ কারণেই কলেরা ও আমাশয়ের মতো রোগসহ পানিবাহিত নানা অসুখ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ডিইসির একজন মুখপাত্র নেপালে আরও বেশি ত্রাণসহায়তা পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, তাঁরা ইতিমধ্যে ভূমিকম্প-দুর্গত মানুষের মধ্যে ডায়রিয়া ও বুকের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আভাস পাচ্ছেন। ওই মুখপাত্র জানান, নেপালে এভাবে কলেরা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নজিরবিহীন নয়। গত বছর দেশটিতে অন্তত ৬০০ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। আর ২০০৯ সালে আক্রান্ত হয়েছিল তিন লাখের বেশি মানুষ। ব্রিটিশ রেডক্রসের স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রধান গ্লিনিস ব্রুকস বলেন, এমন দুর্যোগে পানি ও শৌচাগার ব্যবহারের বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। বিপর্যস্ত পানি সরবরাহব্যবস্থা ঠিক করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন দাতা সংস্থার উচিত নেপাল সরকারকে সহায়তা দেওয়া। নেপালের জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাকেন্দ্র গতকাল জানায়, দেশটিতে ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা ৭ হাজার ৫৫৭-তে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ১৪ হাজার ৫৩৬ জন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী সরবরাহে ধীর গতির অভিযোগ রয়েছে। গতকাল নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সেই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা গেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছেও ত্রাণ পৌঁছেছে। সরকার জানিয়েছে, ত্রাণসহায়তা কার্যক্রমে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি সেনা ও পুলিশ সদস্য অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের সহায়তা দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া উদ্ধারকর্মীদের অন্তত ১০০টি দল। নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লক্ষ্মী প্রসাদ ধাকাল বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। কারণ, প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যেও ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সরকার সবার কাছে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৫ এপ্রিল নেপালে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। এতে রাজধানী কাঠমান্ডুর বড় অংশসহ অনেক এলাকা বিধ্বস্ত হয়। অন্তত ২০টি দেশের উদ্ধারকর্মীরা সেখানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment